Don't Miss
Home / রাজনীতি / টিভিকেকে কংগ্রেসের সমর্থন, সরকার গঠনের পথে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের

টিভিকেকে কংগ্রেসের সমর্থন, সরকার গঠনের পথে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী আধিপত্য ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া থালাপতি বিজয়-এর দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগম (টিভিকে)। নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর সরকার গঠনের লক্ষ্যে দলটিকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

কংগ্রেসের এমপি শশীকান্ত সেন্থিল জানান, দলের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটি তামিলনাড়ু কংগ্রেসকে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে টিভিকে-কে সমর্থন দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। সূত্র বলছে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই সমর্থনের পক্ষে ছিলেন। তবে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে চান, সিদ্ধান্তটি যেন কেন্দ্র থেকে চাপিয়ে না দিয়ে রাজ্য কংগ্রেস কমিটিই নেয়। অবশেষে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

তবে কংগ্রেস একটি শর্ত দিয়েছে— টিভিকে কখনোই ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) বা অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম-এর সঙ্গে জোট করতে পারবে না। কংগ্রেস আশা করছে, বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারে তারা অন্তত দুটি মন্ত্রিত্ব পাবে। এ বিষয়ে দলের নেতা গিরিশ চোদানকার ও প্রবীণ চক্রবর্তী টিভিকে নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

এদিকে এই সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেস ও দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (ডিএমকে)-এর দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে গেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই জোট ৩৯টির মধ্যে ৩৮টি আসনে জয় পেয়েছিল এবং ২০২৪ সালে সবকটি আসনই জিতেছিল। জোট ভাঙাকে ‘পিঠে ছুরি মারা’ বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমকে মুখপাত্র এ. সারাভানান। তার দাবি, ডিএমকে-র সমর্থন ছাড়া কংগ্রেস তাদের ৫টি আসন জিততে পারত না।

২৩৪ আসনের বিধানসভায় টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। কংগ্রেসের ৫টি আসন যোগ হলে তাদের মোট দাঁড়ায় ১১৩। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে টিভিকে এখন কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (২), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) (২) এবং বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাছি (২)-এর সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে।

এর আগে কংগ্রেস জানিয়েছিল, থালাপতি বিজয় নতুন সরকার গঠনের জন্য তাদের সমর্থন চেয়েছেন। দলটি মনে করে, তামিলনাড়ুর জনগণ ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং তারা চায় না যে ভারতীয় জনতা পার্টি বা তাদের মিত্ররা রাজ্যের ক্ষমতায় আসুক।

এখন সরকার গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি জানাতে হবে বিজয়কে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণের পথ সুগম হবে।

x

Check Also

কোরবানির পশু পরিবহনে সড়কে চাঁদাবাজি ঠেকাতে সরকার কঠোর থাকবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু পরিবহনে সড়কে চাঁদাবাজি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের ...