Don't Miss
Home / অর্থনীতি / রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় বছর শুরু
কয়েক মাস প্রবাসী আয় ছিল নিম্নমুখী। কিন্তু চলতি বছ

রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় বছর শুরু

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্ক : প্রবাসী আয়ে নগদ প্রণোদনা বাড়ার সুফল পেল বাংলাদেশ। গেল বছরের বেশ কয়েক মাস প্রবাসী আয় ছিল নিম্নমুখী। কিন্তু চলতি বছরের প্রথম মাসেই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম এ খাতটি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীরা গত মাসে দেশে ১৭০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন।

বৈদেশিক মুদ্রার এ পরিমাণ বাংলাদেশি টাকায় ১৪ হাজার ৬২০ কোটি টাকা (ডলার প্রতি ৮৬ টাকা টাকা ধরে)। এ সংখ্যা গেল বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বেশি। তবে, গেল বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় এ পরিমাণ কমেছে। গত বছরের তুলনায় প্রবাসী আয় কমেছে ২ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদকৃত তথ্যমতে, চলতি বছরের সদ্যবিদায়ী জানুয়ারি মাসে দেশে ১৭০ কোটি (১.৭০ বিলিয়ন) ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১৯৬ কোটি ডলার বা ১৬ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা।

তবে, রেমিট্যান্সের ধারা ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারি মাসে আসা প্রবাসী আয় বিগত ডিসেম্বরের চেয়ে ৬০২ কোটি টাকা বেশি। গত ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। এ পরিমাণ টাকার হিসাবে ১৪ হাজার ১৮ কোটি টাকা।

ব্যাংক খাতের বোদ্ধারা বলছেন, দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে। এর একটি হলো- সরকার ঘোষণা অনুযায়ী প্রণোদনা দেওয়া, যেটা আবার বেড়ে আড়াই শতাংশ হয়েছে। অন্য কারণ হলো ডলারের দাম বেড়ে যাওয়া। অর্থাৎ, এখন ডলারের বিপরীতে বেশি টাকা পাওয়া যাচ্ছে, এসব কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে সরকার রেমিট্যান্সপ্রবাহে নগদ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ করেছে। তারই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই সূচকে। এ ছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অর্থনীতি চাঙা হওয়ায় ওই সব দেশ থেকে বেশি রেমিট্যান্স আসছে। নগদ সহায়তা বাস্তবায়ন হওয়ায় আগামীতে বৈধ চ্যানেলে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসবে বলে আশা করা যায়।

তথ্যমতে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ২৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৮৭ হাজার ২১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার কম। আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রথম ছয় মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ২৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

x

Check Also

আমদানির কারণে আমনের দরপতনে বোরো নিয়েও শঙ্কা, ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার আশঙ্কায় কৃষক

বিশেষ প্রতিনিধি বিদেশ থেকে চাল আমদানির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুম শেষে আমন ধানের দামে ...