এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ চলতি বছরে বিশ্বের ধনী দেশগুলোর তালিকায় ১৯১টি দেশের মধ্যে ১৪৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের পিপিপি জিডিপি ৫ হাজার ২৮ ডলার। তালিকায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত ও পাকিস্তান।
ভারতের অবস্থান ১২৪তম। দেশটির পিপিপি জিডিপি ৮ হাজার ৩৭৮ ডলার। আর পাকিস্তানের অবস্থান ১৩৮তম। দেশটির পিপিপি জিডিপি ৫ হাজার ৮৭২ ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্যের আলোকে এ তালিকা করেছে গ্লোবাল ফাইন্যান্স ম্যাগাজিন। ক্রয় ক্ষমতার সমতা বা পারচেইজিং পাওয়ার প্যারিটি (পিপিপি) জিডিপির ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে।
তবে একটি দেশ কত ধনী, তা কিন্তু জিডিপি দিয়ে বোঝানো যাচ্ছে না। জিডিপির সমস্যা অনেক। বড় সমস্যা এর বণ্টন। বিশেষ করে একটি দেশের নাগরিকেরা কেমন আছে, সেটা ঠিক জিডিপি দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। এ ক্ষেত্রে একটি উপায় হতে পারত মাথাপিছু জিডিপি। অর্থাৎ মোট জিডিপিকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করা।
সমস্যা আছে এখানেও। এটা গড়ের হিসাব। কারও আয় হয়তো অনেক বেশি, অন্যরা কোনোরকম মৌলিক চাহিদা মেটাচ্ছে। একটি দেশের মানুষের সঠিক অবস্থানটা আসলে মাথাপিছু আয় দিয়ে বোঝা যাবে না। আয়ের বৈষম্য প্রকট হলে মাথাপিছু আয় দিয়ে ভালোমন্দ বিবেচনা করা যায় না। বাকি রইল ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পারচেইজিং পাওয়ার প্যারিটি (পিপিপি)।
একটি দেশের নাগরিকেরা আসলেই কতটুকু সম্পদশালী, সেটা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাদের ক্রয়ক্ষমতা কতটুকু। যে অর্থ আয় করে তা দিয়ে সে কী কী কিনতে পারে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি দেশের কোনো পণ্যের দর অন্য দেশের সঙ্গে মিলবে না।
এ কারণেই বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিকে তুলনার জন্য পিপিপির ভিত্তিতে জিডিপির আকার হিসাব করা হয়। মূলত একটি দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মানকে তুলনীয় করার জন্য নমিনাল জিডিপিকে ‘পিপিপি ডলারে জিডিপি’তে রূপান্তরিত করা হয়।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

