আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একাধিক হামলা ও দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এক ভয়াবহ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার পরিবার ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছিল। তবে মোজতবা খামেনি, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। হামলার সময় তার স্ত্রী ও এক ছেলে নিহত হয়েছেন। হামলার দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করা একজন কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবির বানি ইয়াস এলাকায় একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস করা ক্ষেপণাস্ত্রের খণ্ডাংশ পড়ে একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। একই সময়ে কাতারে একটি প্রতিহত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি শিল্প এলাকায় আগুন ধরায়। তবে কাতারে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইরাকের বাগদাদ-এ মার্কিন দূতাবাস ও ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বাগদাদের গ্রিন জোনের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় ড্রোন হামলা চালানো হয়, এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও একটি ড্রোন দূতাবাস প্রাঙ্গণে আছড়ে পড়ে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে লন্ড্রি বিভাগে লাগা আগুন ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে কিছু নাবিক অসুস্থ হয়েছেন এবং প্রায় ৬০০ নাবিক তাঁদের থাকার স্থান হারিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলে একটি তেলের ট্যাংকারেও অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানে, তবে কোনো হতাহত বা পরিবেশগত ক্ষতি হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনাগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

