Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধি

শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধি

এমএনএ ক্যাম্পাস রিপোর্ট : সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধি দিলেন কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তথা সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংবাদ সম্মেলন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক এ উপাধি দেন।
এসময় তিনি জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ ও মামলা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এতে আন্দোলকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার দাবি জানাচ্ছি। আন্দোলন প্রত্যাহার বা বাতিল নয়, প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করছি।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব অবস্থান নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধিও দেন শিক্ষার্থীদের এ মুখপাত্র।
সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান চারটি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো- আন্দোলনকালে আটক শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোনো রূপ হয়রানি থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ দাবি মানা না হলে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন রাশেদ খান।
কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নেই, যারা প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী তাদের আমরা অন্যভাবে চাকরির ব্যবস্থা করে দেব।
শেখ হাসিনা বলেন, কোটা থাকলেই সংস্কারের প্রশ্ন আসবে। এখন সংস্কার করলে আগামীতে আরেক দল আবারও সংস্কারের কথা বলবে। কোটা থাকলেই ঝামেলা। সুতরাং কোনো কোটা পদ্ধতিরই দরকার নেই। কোটা ব্যবস্থা বাদ, এটাই আমার পরিষ্কার কথা।
তিনি আরও বলেন, যদি (কোটা রাখার) দরকার হয় ক্যাবিনেট সেক্রেটারি তো আছেই। তাকে তো আমি বলেই দিয়েছি, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি বসে কাজ করবে। সেখান থেকে তারা দেখবে।
উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে গত ৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন। প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ল এলাকায় এ আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের প্রতিবাদ ওঠে। এ আন্দোলনে যোগ দেয় দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...