Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / সাব্বির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ, ২০ লাখ টাকা জরিমানা

সাব্বির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ, ২০ লাখ টাকা জরিমানা

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : দর্শক পেটানোর ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পেলেন সাব্বির রহমান। ঘরোয়া ক্রিকেট চলাকালীন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে সাব্বির রহমানকে। একই ঘটনায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এই তরুণ উদীয়মান ক্রিকেটারকে।
শাস্তি এতেই শেষ নয়। একই ঘটনায় ঘরোয়া ক্রিকেটে সাব্বিরকে ছয় মাস নিষিদ্ধ করা হয়। অর্থাৎ, আসন্ন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে পারবেন না এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
আজ সোমবার বেক্সিমকো কার্যালয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সাব্বিরের বিরুদ্ধে এই শাস্তির ঘোষণা দেন। ডিসিপ্লিনারি কমিটি এই শাস্তির সুপারিশ করার পর এখন বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সাব্বিরের শাস্তি প্রসঙ্গে পাপন বলেন, ‘সাব্বিরের বিষয়ে আমাদের শৃঙ্খলা কমিটি ইতোমধ্যোই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হিয়ারিং হয়েছে, আমরা ম্যাচ রেফারির রিপোর্টও পেয়েছি। তার ব্যাপারে প্রস্তাব যেটা এসেছে সেটা হচ্ছে আমাদের যে ন্যাশনাল কন্ট্রাক্ট আছে সেখান থেকে ও বাদ পড়ছে। সাব্বির আমাদের ন্যাশনাল কন্ট্রাক্টের প্লেয়ার আর থাকছে না। প্লাস তারা বলেছে ২০ লাখ টাকা জরিমানা। তাকে ক্যাশ টাকা দিতে হবে। তারপর বলেছে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে পারবে না ৬ মাসের জন্য। তারমানে সে প্রিমিয়ার লিগও খেলতে পারছে না। অর্থাৎ বড় রকমের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে সে পড়তে যাচ্ছে।’
পাপন আরও জানিয়েছেন, সাব্বিরের শাস্তি সম্পর্কে শৃঙ্খলা কমিটির দেয়া সুপারিশগুলো এখনই সিদ্ধান্তে পরিণত হয়নি। আগামী বোর্ড সভায় তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি এটাও বলে রেখেছেন শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশগুলোই বলবৎ থাকছে। এমনও হতে পারে সাব্বিরের শাস্তির তালিকা আরও বাড়তে পারে।
‘তারমানে আমরা বলছি না এখনই এই সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। প্রস্তাব এসেছে আজকে। আমরা দেখেছি যে শৃঙ্খলা কমিটি কী সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তাদের প্রস্তাবে এও এসেছে এবারই তাকে শেষ সুযোগ দেয়া হচ্ছে। তারা এটাও লিখেছে। তারমানে তারা ইন্ডিফিনেট পিরিয়ডের জন্য সাসপেনসনের কথা চিন্তা করেছে। বোর্ড মিটিংয়ে বসেই আমরা চূড়ান্ত করবো। এই সুপারিশগুলো থেকে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। আরও বাড়তে পারে। এইগুলো যে থাকছে এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আরও করা হবে কী না, বোর্ড নেবে কী না সেটা পরের সিদ্ধান্ত।’-যোগ করেন পাপন।
উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর রাজশাহী শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের টায়ার টু এর শেষ রাউন্ডের দ্বিতীয় দিন, গ্যালারি থেকে ১০ কি ১২ বছরের একটি ছেলে
সাব্বির মাঠে নামার সময় ‘ম্যাও’ বলেছিল। সেই ছেলেটাকে সাব্বির মাঠ থেকে খেয়াল করেছে।
ম্যাচের এক পর্যায়ে সে অনফিল্ডের দুই আম্পায়ার গাজী আশরাফ সোহেল ও তানভির আহমেদের কাছ ১ ওভারের জন্য বাইরে যাবে বলে অনুমতি নেয়। আম্পায়ার ভেবেছিলেন হয়তো টয়লেটের জন্যই সে অনুমতি দিয়েছে। যা হোক, সে মাঠ থেকে বের হয়ে ছেলেটাকে বল বয় ডেকে আনেন। পরে স্টেডিয়ামের দক্ষিণ দিকের সাইট স্ক্রিনের পেছনে নিয়ে তার কলার ধরে চার থেকে পাঁচটি চড় মারেন।
এখানেই থামেননি এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান। তিনি কেন এই অন্যায় করেছেন? ম্যাচ রেফারি তা জানতে চাইলে তাকেও হুমকি ধামকি দেন।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...