এমএনএ প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি হজ মৌসুমে হজযাত্রীদের সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আগামী বছর থেকে আরবি ভাষায় দক্ষ ব্যক্তিদের হজগাইড ও সহায়ক কর্মী হিসেবে নিয়োগের নির্দেশনা দেন তিনি।
রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনার সার্বিক প্রস্তুতি ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী হজযাত্রীদের সেবার মান নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন এবং কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন।
হজযাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী, যাতে ভাষাগত ও স্থানীয় সহায়তা আরও কার্যকরভাবে প্রদান করা যায়। এছাড়া, হজ এজেন্সিগুলোকে তিন দিনের মধ্যে হজযাত্রীদের আবাসন ও ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক পোর্টালে আপলোড করার নির্দেশ দেন তিনি।
হজ শেষে এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবার মান উন্নয়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসেইন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজ খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদারকে কমিটিতে কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

