Don't Miss
Home / জাতীয় / সরকার / আগামী নির্বাচনেও জনগণ আ’লীগকে বিজয়ী করবে : প্রধানমন্ত্রী

আগামী নির্বাচনেও জনগণ আ’লীগকে বিজয়ী করবে : প্রধানমন্ত্রী

এমএনএ রিপোর্ট : উন্নয়নের সুফল ধরে রাখতে আগামী নির্বাচনেও জনগণ নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজকে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে যে উন্নয়নটা পাচ্ছে সেটা প্রত্যেকটা মানুষ উপলব্ধি করে। একটা সরকারের ধারাবাহিকতা যে একান্তভাবে প্রয়োজন সেটাও আজকে প্রমাণিত।

আজ রবিবার সকালে গণভবনে নিজের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে কালে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে চলেছে। জনগণই বারবার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে। দলটির তৃণমূল কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয় না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানমর্যাদা বৃদ্ধি পায়। জনগণ কিছু পায়। আর অন্যরা ক্ষমতায় আসে শুধু নিজেদের আখের গোছাতে।

বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, লুটেরাদের সংগঠন বিএনপি’র ওপর জনগণের কোন আস্থা নেই। এই দলটি কেবল হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়েই ক্ষমতা দখল করেছিল এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে কোন কিছুই করে নাই। ক্ষমতায় থাকাকালে তারা শুধু নিজেদের পকেট ভারি করেছিল। যদিও বিএনপি দাবি করে তারা তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন ছিলো, কিন্তুু এটা সত্যি যে, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে তারা কিছুই করে নাই। তারা সন্ত্রাস ও ভয়-ভীতির রাজত্ব কায়েম করে কেবল নিজেদের ভাগ্য গড়ায় ব্যস্ত ছিলো। যারা নিজেদের জন্য ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের ওপর এদেশের জনগণের আস্থা নেই। বিগত দিনের মতো আগামী নির্বাচনেও জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণের একটি ভবনকে কারাগার ঘোষণা করে সেখানে তাকে রাখা হয়। পরের বছর ১১ জুন মুক্তি পান শেখ হাসিনা। এর পর থেকে আওয়ামী লীগ এই দিনটি তার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

সেই দুঃসময়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলের বউয়ের অপারেশন, মেয়ে অন্তসত্ত্বা ছিলো সেজন্য আমি দেশের বাইরে যাই। অথচ এরপর আমাকে দেশে আসতে দেবে না। মামলা দিবে, ওয়ারেন্ট ইস্যু করবে। এই খেলাই তারা খেলতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, সবাই মামলার ভয়ে পালায়। আমি সেখানে যাচ্ছি মামলা মোকাবেলার করার জন্য। নির্দেশ ছিলো কেউ যেন বিমানবন্দরে না যায়। এবং তারা সংখ্যা বেধে দিয়েছিল। ১০/২০ জন তার বেশি যেতে পারবে না। সকল বাধা উপেক্ষা করে কৌশলে বিমানবন্দরে হাজার হাজার দলীয় নেতা কর্মী উপস্থিত ছিল। তাদের যেটা উদ্দেশ ছিলো হাজার হাজার মানুষ থাকায় তারা সেটা করতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী কারান্তরীণ থাকাকালীন সময়ের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে আমাকে রাখা হয়েছে ১১টি মাস। দোতলার নিচে পর্যন্ত নামতে দিতো না। এমনকি অসুস্থ হলে ডাক্তারও দেখায়নি। কিন্তু আমি কখনো মনের জোর হারাইনি।’

x

Check Also

ব্যাংকের লাভ-ক্ষতির হিসাব তৈরির সুুযোগ জুন পর্যন্ত বাড়লো

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার কারণে বার্ষিক আর্থিক লাভ-ক্ষতির ...

Scroll Up
%d bloggers like this: