Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / কসোভোকে স্বীকৃতি দিচ্ছে বাংলাদেশ

কসোভোকে স্বীকৃতি দিচ্ছে বাংলাদেশ

এমএনএ রিপোর্ট : দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের স্বাধীন রাষ্ট্র রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধন্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কসোভো ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম শফিউল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত ১১৩টি দেশ কসোভেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ওআইসির ৫৭টি সদস্য দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ ইতিমধ্যে কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়ায় বাংলাদেশ ১১৪তম দেশ হিসেবে কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতির বিষয়টি জানিয়ে দেবে।

সার্বিয়ার ঐতিহ্যগত মিত্র রাশিয়া ও অন্য অনেকের আপত্তি উপেক্ষা করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ কসোভো ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়।

রাশিয়া ও সার্বিয়া এর বিরোধিতা করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো কসোভোকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সঙ্গে সঙ্গে।

এরপর যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে কসোভোকে স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশকে চাপ দিয়ে আসছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নিতে দোলাচলে ছিল।

আওয়ামী লীগের শাসনকালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যখন কূটনীতিক সম্পর্ক তুলনামূলক শীতল, বিপরীতে রাশিয়ার সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক, তখনই কসোভোকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ প্রভাবশালী অনেক দেশের স্বীকৃতিই পেয়েছে বলকান অঞ্চলের দেশ কসভোকে।

ন্যাটো ১৯৯৯ সালে বিমান হামলা চালিয়ে বেলগ্রেডকে তার সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করলে সার্বিয়া কসোভোর ওপর তার নিয়ন্ত্রণ হারায়। শান্তি বজায় রাখতে এখনো কসোভোতে প্রায় পাঁচ হাজার ন্যাটো সেনা মোতায়েন রয়েছে।

অবশ্য সার্বিয়া, এর মিত্র রাশিয়া এবং অন্য কয়েকটি দেশ কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি।

x

Check Also

টানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না, সতর্ক করল বিআরটিএ

এমএনএ প্রতিবেদক একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহণ চালানোর ফলে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, ...