Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / আন্তর্জাতিক / লাতিন আমেরিকা / মেক্সিকোতে ৩৪৭ কি.মি দীর্ঘ সমুদ্র-গুহা

মেক্সিকোতে ৩৪৭ কি.মি দীর্ঘ সমুদ্র-গুহা

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : সমুদ্রের পানির নিচে মায়া সভ্যতার নিদর্শন ৩৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুহা আবিষ্কার করেছেন ডুবুরিরা। পূর্ব মেক্সিকোতে সাগরের তলদেশে আবিষ্কৃৃত গুহা দু’টি জায়গাকে সংযুক্ত করেছে। পানির নিচে আবিষ্কৃৃত এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গুহা।
এ যাবৎকালের  সবচে দীর্ঘ, সবচে বড় আর অত্যাশ্চর্য এক সামুদ্রিক গুহার সন্ধান পাওয়া গেছে মেক্সিকোতে। সাক আতুন নামের এই গুহা ৩৪৭ কিলোমিটার লম্বা । সুপ্রাচীন এই গুহাটি দোস ওহোস নামের ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ অপর একটি গুহার সঙ্গে যুক্ত।
তুলুম বিচ রিসোর্টের কাছে পাওয়া বিশ্বের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম এই গৃহাটি ‘প্রাচীন মায়া সভ্যতার ওপর আলো ফেলবে’ বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা গতকাল বুধবার (১৭ জানুয়ারি) জানায়, গ্রান আকুইফেরা মায়া (জিএএম) নামের একটি প্রকল্প ইউকাতান উপদ্বীপের ভূতল জলপ্রবাহের অনুসন্ধান, গবেষণা ও সংরক্ষণে নিয়োজিত।
এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একদল ডুবুরি কয়েক মাস ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে বিস্ময়কর এই গুহাটি খুঁজে পান। প্রথমে ভুল করে এটিকে ২৬৩ কিলোমিটার লম্বা বলা হলেও পরে দেখা যায় এটি পাক্কা ৩৪৭ কিলোমিটার লম্বা।
প্রাচীন এই গুহা অন্য একটি সুদীর্ঘ গুহার সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় একে জলতলের ধাঁধা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই দুই সুপ্রাচীন গুহার সংযুক্তি কী করে বা কেন হলো?
এটি পুরোপুরি কাকতালীয়, পুরোপুরি প্রাকৃতিক ঘটনা? নাকি এর সঙ্গে সুপ্রাচীন ও উন্নত মায়া সভ্যতার লোকেদের কারিগরি কৃৎকৌশল জড়িত? এমন প্রশ্ন কাজ করছে পুরাতাত্ত্বিক ও সংশ্লিষ্টদের অনেকের মনে। প্রশ্নটা সবাইকে রীতিমতো গোলকধাঁধায় ফেলে দিয়েছে।
দ্য গ্রান অ্যাকুইফায়ার মায়ার প্রকল্পের পরিচালক ও পুরাতাত্ত্বিক গিইয়েরমো দে আন্দা বলেন, এই ‘অত্যাশ্চর্য’ আবিষ্কারটি স্পেনীয়দের আক্রমণ ও বিজয়ের আগের এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সুপ্রাচীন সভ্যতাসমূহের, বিশেষ করে অতি উন্নত মায়া সভ্যতা সম্বন্ধে নতুন অনেক কিছু জানতে সহায়ক হবে।
x

Check Also

অস্ট্রেলিয়ায় এক প্যাকেট সিগারেট ৩০০০ টাকা!

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : সিগারেটের দাম আরও বাড়াতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ ...

Scroll Up