Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায়
সুশাসন

শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায়

এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্কঃ বিগত ১০ বছরের তুলনায় এখন অনেকটাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। আর সুশাসন ফিরে আসায় বাজারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দিন যত যাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা ততই আশাবাদী হয়ে উঠছেন। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন নেতৃত্ব এক্ষেত্রে টনিক হিসেবে কাজ করছে।

দেখা যাচ্ছে, প্রতি সপ্তাহেই অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকছে বিএসইসি। বিএসইসি’র সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঘোষণা ছাড়া শেয়ার বিক্রি করায় প্রাইম ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের উদ্যোক্তা পরিচালক সাবিহা খালেককে ৪ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) কমিশন সভায় এ জরিমানা করা হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সভায় কাসেম সিল্ক মিলস ও কাসেম টেক্সটাইল মিলসের স্বতন্ত্র পরিচালক বাদে বাকি সব পরিচালককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে বিএসইসি।

বাজার বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে অনিয়ম কমে আসবে। বিনিয়োগকারীরাও বাজারে ফিরবেন। এক সময় এই শেয়ার বাজার হয়ে উঠবে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

এদিকে বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯২০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৯১০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১০ কোটি ৪ লাখ টাকা বা ১ দশমিক ১০ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ৬০৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় চার হাজার ৫৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৫০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১.১০ শতাংশ। অবশ্য লেনদেন বাড়লেও দীর্ঘদিন পর বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সব ধরনের মূল্য সূচকের পতনের মধ্যদিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দরপতনের সঙ্গে সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়েছে। এতে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ওপরে হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এর অবস্থান দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯১৬ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরুতে সূচকটির অবস্থান ছিল ৪ হাজার ৯৯৫ দশমিক ৩২ পয়েন্টে। সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক কমেছে ১ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা ৭৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ডিএসইর সেরা ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএসই-৩০ এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১ হাজার ৭১০ দশমিক ৭২ পয়েন্ট থেকে ১ হাজার ৬৬৯ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে নেমে আসে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এক হাজার ১২৬ পয়েন্ট থেকে নেমে আসে এক হাজার ১০৮ দশমিক ৮০ পয়েন্টে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৬৩টি কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১১টির, বা ৩০ দশমিক ৫৭ শতাংশ কোম্পানির। আর ৫৯ দশমিক ৫০ শতাংশ বা ২১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। অবশ্য ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল অপরিবর্তিত।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯৯ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা, যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল চার লাখ ৩ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে তিন হাজার ৭২১ কোটি টাকা। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ১৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে ১৭ দশমিক ৮২ পয়েন্ট, আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল দশমিক ৩১ পয়েন্ট। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৪১ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট । আগের সপ্তাহে এ সূচকটি বাড়ে ৯ দশমিক ৫২ পয়েন্ট।

x

Check Also

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে সরকারের নানা সিদ্ধান্ত

এমএনএ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্কঃ সরকার আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণ ...

Scroll Up
%d bloggers like this: