Don't Miss
Home / অর্থনীতি / লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শহর আধুনিকায়নের কাজ চলছে : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান
পরিকল্পনামন্ত্রী

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শহর আধুনিকায়নের কাজ চলছে : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আজকের আধুনিক শহরগুলো এক সময় অপরিকল্পিত শহরের তালিকায় ছিল। পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে আমরা শহরগুলো আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুই দিনব্যাপী ইকোসিটি স্যাটেলাইট কনফারেন্স ২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আহ্বায়ক সাইফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান।

এম এ মান্নান বলেন, উন্নত দেশসমূহে অনেকেই অর্থবান হলেও গাড়ি কেনার প্রতি আগ্রহী হন না। আমাদেরও অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার পরিহার করে হাঁটা এবং সাইকেলবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগী হতে হবে।

বিশেষ অধিবেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেলথব্রিজ-কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব, বাংলাদেশ ইস্টিটিউশন অব প্ল্যানার্সের সভাপতি আকতার মাহমুদ, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান এবং সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজের সালমা এ শফি প্রমুখ।

সম্মেলনের আহ্বায়ক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাস আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে ভাবনার নতুন পথ দেখিয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে এবং আমাদের প্রাণ-প্রকৃতির অস্তিত্ব রক্ষার লক্ষ্যে আমাদের জলাভূমি-জলাধার রক্ষায় উদ্যোগী হতে হবে। শুধু তাই নয়, আমাদের সবুজ উদ্যান-উন্মুক্ত গণপরিসর রক্ষা ও এগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হতে হবে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরে প্রতিদিন বিভিন্ন মাধ্যমে যাতায়াত সংগঠিত হয়, এর মধ্যে ৪২% ট্রিপ ২ কিলোমিটারের মধ্যে সংঘটিত হয়। যার অধিকাংশ হাঁটার সাথে সরাসরি সংশিষ্ট। কিন্তু সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা যদি স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে হেঁটে, সাইকেলে চলাচল করি এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি তাহলে একদিকে যেমন গাড়ি নির্ভরতা কমিয়ে যানজট নিরসন করতে পারব, পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, আমাদের এ কনফারেন্সের সাথে দেশের ৫০টি শহর সম্পৃক্ত হয়েছেন। ইকোসিটি বলতে এমন শহরকে বোঝায় যেখানে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ একই সঙ্গে প্রাধান্য পায়। ইকোসিটি ওয়ার্ল্ড সামিটের লক্ষ্য হলো- স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে টেকসই এবং আর্থ-সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পন্ন শহর তথা, ইকোসিটি গড়ে তোলা।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেলথব্রিজ-কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন বলেন, নগর পরিকল্পনায় পরিবেশের যে অনুপস্থিতি ছিল করোনাকালে আমরা তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পেরেছি। স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে বিবেচনায় নিয়ে আমাদের অগ্রসর হতে হবে।

পরিবেশ আন্দোলনের সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, আমাদের পরিকল্পনায় সমতা, সহমর্মিতা, মানবতা ইত্যাদি বিষয়গুলো অনুপস্থিত। আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গবেষণা, ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে সকল শ্রেণির মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করতে পারছে না।

x

Check Also

বাজেটে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ আসছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ বা নেতিবাচক ...