Don't Miss
Home / আইন আদালত / স্থায়ী জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

স্থায়ী জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

এমএনএ রিপোর্ট : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্থায়ী জামিন পেয়েছেন। আজ বুধবার খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ভূইয়া ও এএইচএম কামরুজ্জামান। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এতে ওই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুদকের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকছে। এর অপব্যবহার হলে বিচারিক আদালতের জামিন বাতিল করার স্বাধীনতা থাকবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

খুরশীদ আলম খান জানান, ২০০৮ সালে ওই মামলার অন্তর্বর্তীকালীন জামিনসহ রুল হয়। পরে জামিনের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়। এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ আদালত ওই রায় দিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তার পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত।

এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ আসামি মোট ছয়জন। বাকিরা হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ,প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধান এ মামলায় এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন ৩২ জন। এছাড়া জামিনে থাকা দুই আসামি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন।

ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

মামলাটি বর্তমানে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যায়ে রয়েছে।

x

Check Also

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ফাইল অনুমোদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অনিয়ম প্রমাণে চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের

এমএনএ প্রতিবেদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইলে অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ ...