Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনকে সংবর্ধনা

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনকে সংবর্ধনা

এমএনএ রিপোর্ট : রাজধানীর আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে হয়ে গেল ‘এসো মিলি প্রাণের টানে’ শিরোনামে তৃতীয়বারের মতো এই সম্মিলন এবং দেশের জনপ্রিয় শিশু-কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর বাংলার প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সংবর্ধনা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ ইতিহাসে যুক্ত রয়েছে অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম। ৮০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে স্বনন, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, সমকাল নাট্যচক্র, অনুশীলন নাট্যদল, রুডা, তীর্থক নাটক, বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার রাজশাহী, শীলন, বীকন, অনির্বাণসহ আরও বেশ কিছু সংগঠন।

সেই সব সংগঠনের অনেক সাংস্কৃতিক কর্মী কর্মজীবনে দেশের নানা প্রান্তেই ছড়িয়ে আছেন। তবে ঢাকায় যারা আছেন তাদের একটি বড় অংশ চার বছর যাবৎ সম্মিলন আয়োজন করছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শোক জ্ঞাপন করা হয় আবু ভাইয়ের জন্য। উপস্থিত সকলেই দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। আবু আহমেদের “আবুর ক্যানটিন” রাবি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক, সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের মিলন স্থল, আড্ডা আর বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহৃত হতো । সত্তরের দশক থেকে শুরু করে বছর ছয়েক আগেও আবু ভাইয়ের এই ক্যানটিন ছিল গণতান্ত্রিক, সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল সব আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

মতবিনিময় ও আলোচনা পর্বে মতিহারের সাবেক কর্মীদের পক্ষ থেকে লেখক দীপু মাহমুদ আলোচনা সমন্বয় করেন। শুরুতে কর্মী সম্মিলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ধারণা উপস্থাপন করেন সৈয়দ আপন আহসান। এই আলোচনা সাপেক্ষে ভবিষ্যতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার কথা বিবেচনায় আনা হয়েছে ।

আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মী ড. আজম শান্তনু, কামাল আহমেদ, মোস্তাগিসুর বাবু প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মী বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, ছড়াকার আনজীর লিটন, বর্ষীয়ান অভিনেতা আব্দুল আজিজসহ আড়াই শতাধিক সাংস্কৃতিক কর্মী।

আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে দেশের জনপ্রিয় শিশু-কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর বাংলার প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম। সম্মিলিত সংগীতের পরপরই প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী লাইসা আহমেদ লিসার চমৎকার পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

মঞ্চে তারপরেই আসন গ্রহণ করেন প্রধান অতিথি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। তার হাতে ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়। হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রশংসাপত্র। আনজীর লিটনের লেখা প্রশংসাপত্র পাঠ করে শোনান মাসকুরে সাত্তার কল্লোল।

সকল সংগঠনের পক্ষে অতিথিদের পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন আব্দুল আজিজ, আনিসুর রহমান নান্টু, মোস্তাগিসুর রহমান বাবু ও আজম শান্তনু। আইএফআইসি ব্যাংকের সৌজন্যে অতিথিকে আর্থিক সম্মাননা তুলে দেন দীপু মাহমুদ ও সৈয়দ আপন আহসান।

অনুষ্ঠানে গান শোনান ফাতেমা-তুজ-জোহরা। পাশাপাশি স্মৃতিচারণ করেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের, রাজশাহী ক্যাম্পাসের। সংগীত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও কথা বলেন তিনি। তারপর একের পর এক তার গান আর গান।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ‌্যালয় থিয়েটার রাজশাহী, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে রচিত গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘ঠ‌্যারো’ নাটকের অংশবিশেষ পরিবেশন করেন এবং আরও বেশ কয়েকটি সংগঠন সংগীত পরিবেশন করে।

x

Check Also

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ফাইল অনুমোদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অনিয়ম প্রমাণে চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের

এমএনএ প্রতিবেদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইলে অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ ...