আসলে বিএনপির জরুরি অবস্থা দরকার
Posted by: News Desk
August 4, 2019
এমএনএ রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ডেঙ্গু নিয়ে রাজনীতি করছে। দেড় বছরেও খালেদা জিয়ার জন্য দেড় মিনিট যারা আন্দোলন করতে পারেনি, যারা বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে ব্যর্থ, জরুরিভাবে তাদের বিপদ-সংকট থেকে উদ্ধার করার জন্য জরুরি অবস্থা দরকার। তিনি বলেন, দেশের মানুষ কাজ চায়, নাম চায় না।
সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আওয়ামী লীগের তিন দিনব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির সমাপ্তি ও ডিএনসিসির পাঁচ নম্বর অঞ্চলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গত বুধবার আওয়ামী লীগের তিন দিনব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নির্দেশ’- এই অঙ্গীকারে ডেঙ্গু ও এডিস মশা প্রতিরোধে সরকার কর্মতৎপরতা শুরু করেছে। এটিকে সর্বাত্মকভাবে লড়াই হিসেবে নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, অনেকের কাজে নেই, তারা কখনও বলে মহামারী ঘোষণা কর, কখনও বলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা কর। জরুরি অবস্থা তাদের দরকার, যারা জরুরি সংকটে আছে। দল হিসেবে ব্যর্থতার দগদগে ঘা যাদের, যারা শুধু ব্যর্থ, নির্বাচনে ব্যর্থ, আন্দোলনে ব্যর্থ।
তিন দিনের কর্মসূচি নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের তিন দিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শেষ হল। তবে যত দিন না এডিস মশার আক্রমণ থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করতে পারব, তত দিন এই পরিচ্ছন্নতামূলক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, গত শুক্রবার বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সারা দেশে চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল (শনিবার) মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। সারা দেশে সর্বত্র যাতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের শনাক্তকরণ, রক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসা হয়, তা এই সেল সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করবে।
ডেঙ্গুতে ফিলিপাইনে হাজারের মতো লোক মারা গেছে এবং লক্ষাধিক আক্রান্ত হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই রোগ মহামারী, এটা ভিয়েতনামের রোগ। ভারত, মিয়ানমার ও চীনেও আছে। থাইল্যান্ডেও ব্যাপক আকারে বিস্তার লাভ করেছে। তিনি বলেন, আমরা কথা বলব না, কাজ করব। এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, এই সময় অতিকথন দেশের জন্য খারাপ ফল বয়ে আনতে পারে।
অতিকথন থেকে দায়িত্বশীল সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি মহল আতঙ্ক ছড়াচ্ছে যাতে ঈদের সময় মানুষ বাড়িঘরে না যায়। যারা বাড়ি যাবেন, তাদের সতর্ক থেকে ঈদ উদযাপন করতে হবে। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এডিস মশা ও ডেঙ্গু বিস্তার যথেষ্টভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য সচেতনতা বাড়ানো ও করণীয় ঠিক করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যে কোনো মূল্যে এই এডিস মশা ও ডেঙ্গু প্রতিহত করব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, মেজবা উদ্দিন সিরাজ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি একেএম রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।
অবস্থা আসলে জরুরি দরকার বিএনপির 2019-08-04