Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / জাতীয় নির্বাচন ঠেকানোর ক্ষমতা কারও নেই : তোফায়েল

জাতীয় নির্বাচন ঠেকানোর ক্ষমতা কারও নেই : তোফায়েল

এমএনএ রিপোর্ট : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ১১তম মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে অংশগ্রহণ উপলক্ষে আয়েজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারই অন্তবর্তীকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে মায়া কান্না করে কোন লাভ নেই। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে আর কোনদিন ফিরবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কৌশিক বসু, পোপ ফ্রান্সিসরা যেখানে দেশের অর্থনীতি ও রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করছে, সেখানে আমাদের দেশের একটি রাজনৈতিক দল বর্তমান সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করছে। তারা কোনও কিছুতেই ভাল দেখতে পায় না। তারা সব কিছুর মধ্যেই সন্দেহ খোঁজে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সল্পোন্নত দেশ হিসাবে বাংলাদেশ এবারের সম্মেলনে শুল্কমুক্ত ও কোটা মুক্ত বাজার সুবিধা সেবা সার্ভিস ওয়েভারের কার্যকর বাস্তবায়ন, রুলস অব অরিজিন বিষয়ক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং স্পেশাল ডিফারেনসিয়াল ট্রিটমেন্ট সুবিধা বাস্তবায়নের বিষয়ে জোরালো অবস্থান নিবে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি চায়- আমরা তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দেই, তারা যা চায় তাই আমরা করব? আমরা কোনো দল না। বিএনপি তো ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছিল। টিকে নাই। এক মাসও টিকে নাই। ২০১৪ সালের নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, এ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি আইপিওর সভাপতি, সিপিএ’র সভাপতি। তার মানে সারা পৃথিবীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সভাপতি করেছে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং মায়া কান্না করে কোনো লাভ হবে না। ইলেকশন হবেই। ইলেকশন ঠেকানোর ক্ষমতা বাংলাদেশে কারো নেই। ২০১৪ সালে পারেনি, ২০১৩ সালেও আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল আন্দোলনের কথা বলে কিন্তু সবসময় ব্যর্থ হয়। এবারও ব্যর্থ হবে। নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের সরকারের অধীনে ও নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্বে নির্বাচন হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ডাব্লিউটিও’র ১১তম কনফারেন্সে ২৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেবে। দলের নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী নিজেই। আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ারসে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে। ডব্লিউটিও’র বিধান অনুযায়ি প্রতি ২ বছর পর পর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি দল আগামী ১৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরবে বলেও জানান মন্ত্রী।
x

Check Also

টানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না, সতর্ক করল বিআরটিএ

এমএনএ প্রতিবেদক একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহণ চালানোর ফলে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, ...