Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / নতুন মহাকাশ পোশাক তৈরি করল নাসা

নতুন মহাকাশ পোশাক তৈরি করল নাসা

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ২০২৪ সালের মধ্যে ফের চাঁদে যাত্রার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনে নাসার সদর দপ্তরে মহাকাশচারীদের জন্য নমনীয় ও আধুনিক নতুন মহাকাশ পোশাক (স্পেসস্যুট) উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি মানব অবয়বে তৈরি একটি ক্ষুদ্র মহাকাশযানের মতোই কাজ করবে।

আগামী চন্দ্র অভিযানের জন্য নাসা নতুন স্পেসস্যুট তৈরি করল। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তা সকলের সামনে প্রকাশ করলেন নাসার প্রধান জিম ব্রিডেনস্টাইন। আর তা দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত চন্দ্রাভিযানে অংশগ্রহণকারীরা।

কেমন দেখতে হল নাসার নতুন স্পেসস্যুট? ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যে ধরনের পোশাক পরা হয়, নতুনটি অনেকটা তার মতোই। তবে এটি আরও আরামদায়ক এবং চন্দ্রপৃষ্ঠে ঘোরার আরও উপযুক্ত করে তৈরি হয়েছে। সঙ্গে থাকবে একটি হেলমেটও। ১০০ শতাংশ অক্সিজেন থাকছে স্যুটটিতে। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে নাসা প্রধান দুই মহাকাশচারীকে নতুন পোশাক পরিয়ে সবটা দেখিয়ে দিলেন। মহিলা মহাকাশচারী অ্যান ম্যাককেইন এবং মহাকাশযানের ইঞ্জিনিয়ার ক্রিস্টিন ডেভিস সাদা, লাল এবং নীল রঙের স্পেসস্যুটটি পরে দেখে নিলেন, সব ঠিক আছে কি না। এর আরও একটি সুবিধা হল, আপনার চেহারা যেমনই হোক, পোশাকটি আপনার শরীরের মাপেই বসে যাবে। এর মাত্র তিনটি অংশ – হেলমেট, কোমর পর্যন্ত একটি অংশ এবং কোমর থেকে পা পর্যন্ত আরেকটি অংশ। সর্বনিম্ন অংশটি তুলনামূলকভাবে হালকা, চন্দ্রপৃষ্ঠে আরামে চলাফেরার জন্য। পরা অত্যন্ত সহজ। তথাকথিত স্পেসস্যুটের মতো জটিল নয়।

এদিন লাল, নীল ও সাদা রঙের এ মহাকাশ পোশাকটি পরেন এর ডিজাইনার ক্রিসটাইন ডেভিস। তিনি অত্যাধুনিক এ পোশাকের কোমর, বাহু ও পায়ের অংশের বিভিন্ন কার্যকারিতা নিয়ে ব্রিফ করেন।

এএফপি জানায়, নারী-পুরুষ যে কোনো গড়নের মহাকাশচারী এ স্পেসস্যুটটি পরতে পারবেন। অর্থাৎ সবার জন্য পোশাকের আকার একই। মানুষের গড়নের ওপর ভিত্তি করে এটি নমনীয় করা যাবে। পোশাকটিতে সংযুক্ত রয়েছে বহনযোগ্য জীবনরক্ষাকারী পদ্ধতি।

আরও সংযুক্ত রয়েছে জ্বালানির উৎস, শীতলীকরণের জন্য পানির ট্যাংক এবং দ্বিমুখী রেডিও। এ ছাড়াও রয়েছে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করার অগাধ সক্ষমতা। অন্তত ছয় দিনের জন্য জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি দিয়ে এটির ডিজাইন করা হয়েছে।

নাসার শিক্ষার্থী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সামনে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটির প্রশাসক জিম ব্রাইডেনেস্টাইন বলেন, আমরা যদি অ্যাপোলো প্রজন্মকে স্মরণ করি তাহলে নীল আর্মস্ট্রং এবং বাজ অলড্রিনকে স্মরণে আনব। তারা চাঁদের বুকে পা রেখেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন চাঁদের মাটিতে হাঁটতে সক্ষমতা অর্জন করেছি, যা স্পেসস্যুটের কারণে অতীতে খুবই কঠিন ছিল।

x

Check Also

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ফাইল অনুমোদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অনিয়ম প্রমাণে চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের

এমএনএ প্রতিবেদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইলে অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ ...