Don't Miss
Home / আন্তর্জাতিক / বিশ্বাসঘাতক আরব দেশগুলোর কোনো ক্ষমা নেই: হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিনি

বিশ্বাসঘাতক আরব দেশগুলোর কোনো ক্ষমা নেই: হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া

এমএনএ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যেসব আরব দেশ অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে, ইতিহাস তাদের কোনো দিন ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সঙ্গে ইহুদিবাদী দেশটির সাম্প্রতিক চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মিডল ইস্ট আইকে তিনি বলেন, কোনো আরব দেশের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত সেই দেশটির জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

হানিয়া বলেন, আমরা জানি– ওই সব আরব নেতার চেয়ে ইসরাইলি নেতারা ভালো। আমরা জানি, তারা কীভাবে ভাবেন। আরব আমিরাতে আমাদের ভাইদের তাই বলতে চাই– এই চুক্তির কারণে তাদের পরাজয় ঘটবে। কারণ ইসরাইলের একমাত্র আগ্রহ হচ্ছে, ইরানের কাছাকাছি এলাকায় সামরিক ও অর্থনৈতিক পাদদেশ তৈরি করা।

‘তারা আপনাদের দেশকে সিঁড়ির ধাপ হিসেবে ব্যবহার করবে। আমিরাত ইসরাইলি ‘লাঞ্চপ্যাড’ হিসেবে ব্যবহৃত হোক, তা আমরা কখনও দেখতে চাই না।’

আমিরাতের নাগরিকদের ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেন হানিয়া, যারা ফিলিস্তিনিকে ঐতিহাসিকভাবে সমর্থন দিয়েছেন। কাজেই হামাস সেই দিনটির অপেক্ষায় আছে, যখন আমিরাতবাসী এ চুক্তির সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক অস্বীকার করবেন।

তিনি বলেন, ইহুদিবাদী প্রকল্প সম্প্রসারণবাদী প্রকল্প। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে– একটি বৃহৎ ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। কাজেই আমিরাত, বাহরাইন কিংবা সুদানি নাগরিকরা তাদের প্রকল্পের বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হোক, তা আমরা দেখতে চাই না। ইতিহাস তাদের প্রতি করুণা করবে না। মানুষ কখনও ভুলে যাবে না এবং মানবাধিকার আইন কখনই তাদের ক্ষমা করবে না।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ও মাস কমিউনিকেশন সেক্টরে ভারত আমাদের কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটা নিয়েও আলোচনা করেছি। তিনি অনেকগুলো প্রস্তাব দিয়েছেন, যে প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত চমৎকার মনে হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের আদান-প্রদান, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও আদান-প্রদানের ওপর একটি কর্মসূচি শুরু করতে চায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া সাংবাদিকদের আদান-প্রদান বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও আদান-প্রদানের ওপর তারা একটা কর্মসূচি শুরু করতে চায়। আমরা সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস কমিউনিকেশনের ওপর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান দিয়ে একটি ডিপার্টমেন্ট খোলার ব্যাপারে সাহায্য করতে চায়। হাইকমিশনারের শ্বশুর বাড়ি চট্টগ্রাম। তিনি (হাইকমিশনার) বললেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যদি রাজি থাকে তারা সেখানে হেল্প করতে পারে। সেই কথাও তিনি আলোচনা করেছেন।’

x

Check Also

আড়াই বছরের মধ্যে ঢাকার চার আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, আসছে রুটভিত্তিক কোম্পানি ব্যবস্থা

এমএনএ প্রতিবেদক রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো, গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা গড়ে ...