Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / ১৪ প্রতিশ্রুতি ও ৩৫ অঙ্গীকারে ইশতেহার ঘোষণা ঐক্যফ্রন্টের

১৪ প্রতিশ্রুতি ও ৩৫ অঙ্গীকারে ইশতেহার ঘোষণা ঐক্যফ্রন্টের

এমএনএ রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১৪ প্রতিশ্রুতি ও ৩৫ অঙ্গীকারে ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ সোমবার হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনালে সংবাদ সম্মেলন ইশতেহারের বিস্তারিত তুলে ধরছেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ইশতেহার পড়ে শোনান নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিহিংসার রাজনীতি দূরীকরণ, নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা ও বিকেন্দ্রীকরণ, দুর্নীতি দমন ও সুশাসনসহ ১৪টি বিষয়ে আমূল পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় ঐক্য গড়া, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানসহ ঐক্যফ্রন্টের ১৪ প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন ড. কামাল হোসেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে ইশতেহার ঘোষণার মঞ্চে উঠেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। এর পর শুরু হয় ইশতেহার ঘোষণা।

ইশতেহারের শুরুতে বলা হয়েছে-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে।

বলা হয়, দেশের সব নাগরিকের কল্যাণে সরকার পরিচালনা করবে ঐক্যফ্রন্ট। এ পরিচালনার মূলনীতি হবে ঐকমত্য। সবার অন্তর্ভুক্তি (অন্তর্ভুক্তি) ও যে কোনো রকম প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত থাকা।

বলা হয়- ‘প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ’ সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বর্ণিত এ নীতির ভিত্তিতে সরকার পরিচালনা করা হবে। জনগণের মালিকানা জনগণের হাতে দেয়া হবে।

ইশতেহার ঘোষণার আগে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন সূচনা বক্তব্য দেন। তার পক্ষে ইশতেহার পাঠ করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

১. প্রতিহিংসা বা জিঘাংসা নয়, জাতীয় ঐক্যই লক্ষ্য—

গত ১০ বছরের মামলা, গুম, খুন, বিচারবর্হিভূত হত্যা তদন্তে শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী, আইনজীবীদের সমন্বয়ে সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন কমিশন গঠন করা হবে। খোলামনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। সকল জাতীয় বীরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একদলীয় শাসনের যাতে পুনঃজন্ম না হয়, তা নিশ্চিত করা হবে।

২. নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—

বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ও গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করা হবে। রিমান্ডের নামে নির্যাতন বা সাদা পোশাকে গ্রেপ্তার বন্ধ করা হবে। সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকবে।

৩. ক্ষমতার ভারসাম্য—

নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি ও নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেয়া। সংসদে উচ্চকক্ষ তৈরি করা হবে। আলোচনার মাধ্যমে ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হবে। সংসদে বিরোধী দলকে গুরুত্ব দেয়া। দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারা যাবে না। সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হবে। প্রাদেশিক সরকার পরীক্ষার জন্য সর্বদলীয় জাতীয় কমিশন গঠন করা।

৪. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ—

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের হাতে। জেলা পরিষদের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন। পৌর এলাকায় সিটি গভর্নমেন্ট চালু হবে। প্রশাসনিক কাঠামো প্রাদেশিক পর্যায়ে বিন্যস্ত করা হবে।

৫. দুর্নীতি দমন ও সুশাসন—

বর্তমান সরকারের আমলের দুর্নীতির তদন্ত করে জড়িতদের বিচার করা হবে। ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হবে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের গ্রেফতারে সরকারের অনুমতির বিধান বাতিল হবে। বর্তমান কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারে লুটপাটে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে। ভিনদেশীয় সাংস্কৃতি আগ্রাসন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৬. কর্মসংস্থান ও শিক্ষা—

পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না। বেকার ভাতা চালু করা হবে। সরকারি চাকরিতে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া আর কারো জন্য কোটা থাকবে না। তিন বছরের মধ্যে সরকারি সব শূন্য পদ পূরণ করা হবে। ওয়ার্ক পারমিটবিহীন সকল বিদেশি নাগরিকের চাকরি বন্ধ করা হবে। মোবাইলে ইন্টারনেট খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যয় সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। মাদ্রাসা শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থান করা হবে।

৭. স্বাস্থ্য—

হাসপাতালগুলোর শয্যা বৃদ্ধি করা হবে এবং সকল জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। ওষুধের অপপ্রয়োগ রোধে চিকিত্সকদের সকল ব্যবস্থাপত্র নিরীক্ষা এবং হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর খতিয়ান পরীক্ষা করে জানানো হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে ন্যায়পাল থাকবেন। ঔষধ ও ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার খরচ কমানো হবে। প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে আনা এবং বাড়িতে পৌছে দেয়া হবে। সকল নাগরিককে স্বাস্থ্য কার্ড দেয়া হবে।

৮. জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন—

দুই বছরের মধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি ১২ হাজার টাকা করা হবে। সকল খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য রেশনিং চালু করা হবে। স্বাস্থ্যবীমার মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রিমিয়াম দিয়ে সবাই স্বাস্থ্য সুবিধা পাবেন। কর্মজীবী নারীদের জন্য পর্যাপ্ত ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ও সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। ভেজাল ও রাসায়নিকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা হবে।

৯. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি—

প্রথম বছর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে না। ১০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর মূল্য আগামী পাঁচ বছরে বাড়বে না। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ও সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের বিদ্যুৎ বিল বাণিজ্যিক দামের পরিবর্তে আবাসিক হারে হবে।

১৪ প্রতিশ্রুতির মধ্য উল্লেখযোগ্যগুলো হলো—

১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসনে কমিশন গঠন করা হবে।

২. হত্যা ও গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।

৩. ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিল করা হবে।

৪. নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করা হবে।

৫. পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না।

৬. পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ব্যতীত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না।

৭. সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করে বিচার করা হবে। জেলা পরিষদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে।

৮. পিএসসি জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

৯. গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হবে ১২ হাজার টাকা। প্রথম বছরে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না।

১০. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে।

১১. রাজনীতিতে প্রতিহিংসা বা জিঘাংসার অবসান।

১২. ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলমান রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও ইশতেহারে উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে আছে, ব্যাংকিং সেক্টরে লুটপাটে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে, এই সরকারের আমলের দুর্নীতি তদন্ত করে তার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা হবে, রিমান্ডের নামে পুলিশি হেফাজতে যেকোনো শারীরিক নির্যাতন বন্ধ করা হবে, সাদা পোশাকে কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং মিথ্যা মামলায় সহায়তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কর্মক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সকল ক্ষেত্রে নারীর ওপর বাচিক কিংবা শারীরিক যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে, নির্বাচন কমিশনকে পূর্নাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়াসহ অন্যান্য পদক্ষেপ দেওয়ার মাধ্যমে মুক্তভাবে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত করা হবে, সংসদে উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করা হবে, সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হবে।

ইশতেহারের শুরুতে বলা হয়, নির্বাচনে জিতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেশের সকল নাগরিকের কল্যাণে সরকার পরিচালনা করবে। এই পরিচালনার মূলনীতি হবে ঐক্যমত্য, সকলের অন্তর্ভুক্তি ও যে কোনো রকম প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত থাকা। ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’ সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতির ভিত্তিতে সরকার পরিচালনায় যাবতীয় পদক্ষেপের ভিত্তি হবে রাষ্ট্রের মালিকগণের মালিকানা সুদৃঢ় করা।

ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্য তুলে ধরে ড. কামাল হোসেন বলেন, গত ১০ বছরে কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতা এবং পুলিশকে দলীয় ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা, গুম, খুন মামলার ঘুষ বাণিজ্য ও বিচারবহির্ভূত হত্যার লক্ষ পরিবার ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত।এই সমস্যা সমাধান করে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী, আইনজীবী সমন্বিত সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন কমিশন গঠন করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অতীতের হয়রানি মামলা সুরাহার লক্ষ্যে খোলা মনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধন করা হবে।

তিনি বলেন, সকল জাতীয় বীরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করে স্কুল, কলেজে পড়ানো হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করা হবে। এক দলীয় শাসনের যেন পুনঃজন্ম না ঘটে তা নিশ্চিত করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, ড. রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।

ইশতেহার তৈরির জন্য ঐক্যফ্রন্ট ৬ সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। কমিটিতে বিএনপি থেকে সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, গণফোরাম থেকে আ ও ম শফিক উল্লাহ, নাগরিক ঐক্য থেকে ডা. জাহেদ উর রহমান, জেএসডি থেকে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অধ্যক্ষ ইকবাল সিদ্দিকী এবং ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে রাখা হয়।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষ্যে প্রচারপ্রচারণা চলছে।

x

Check Also

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ফাইল অনুমোদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অনিয়ম প্রমাণে চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের

এমএনএ প্রতিবেদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইলে অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ ...