Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ বাড়ালে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা: জুবাইদা রহমান

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ বাড়ালে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা: জুবাইদা রহমান

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক

দেশের প্রত্যন্ত ও অনগ্রসর অঞ্চলে শিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা গেলে সেখানে লুকিয়ে থাকা মেধা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান।

রোববার রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ-এ অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের অনেক প্রান্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাগ্রহণ অব্যাহত রেখেছে। এসব শিক্ষার্থীর মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনা বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকের জন্ম হতে পারে।

তিনি বলেন, ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের শিক্ষার অধিকার রয়েছে। শিক্ষাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করা এবং তাদের উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশের সুপ্ত প্রতিভাগুলো বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের সাফল্যই আগামী দিনের বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে উজ্জ্বল অবস্থানে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে জুবাইদা রহমান প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকল্প, স্টার্টআপ উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী ধারণা ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রতিযোগিতায় ঢাকা জেলার ৩৭টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, দ্বিতীয় হয় রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে হলি ক্রস কলেজ। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সৃজনশীল ও বাস্তবমুখী করতে সরকার কাজ করছে, যাতে শিক্ষার্থীরা যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক-গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, সারা দেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১২ হাজার দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করেছে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী ও ২৪ হাজার শিক্ষক।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায় পেরিয়ে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দল আগামী ২৮ জুন রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। সেখানে সেরা ১০টি দলকে পুরস্কৃত করা হবে।

x

Check Also

আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে কালীগঞ্জে বিএনপির পাল্টাপাল্টি অবস্থান, ওসি ইস্যুতে প্রকাশ্য বিভক্তি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ...