Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / কৃষকের মুখে হাসি ফুটালো আমনের ফলন ও ভালো দাম
আমন

কৃষকের মুখে হাসি ফুটালো আমনের ফলন ও ভালো দাম

এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্কঃ ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় মুখ ভরা হাসি নিয়ে রোপা আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু করেছেন জয়পুরহাটের কৃষকরা। ইতোমধ্যে জেলায় শতকরা ৬০ ভাগ ধান কাটা ও মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলার ৫ উপজেলার সর্বত্র এখন কৃষকরা আমন ধান কাটা মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জমিতে আমন ধান লাগানোর পরে তেমন কাজ থাকতো না কৃষক ও মজুরদের হাতে ফলে আশ্বিন-কার্তিক মাসে কাজের অভাবে মঙ্গা হিসেবে দেখা দিতো জয়পুরহাটের মানুষের নিকট। চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হতো দৈনন্দিন খরচ চালাতে।

শেখ হসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী উত্তরাঞ্চল থেকে মঙ্গা দূর করার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর ফলশ্রুতিতে উদ্ভাবন করা হয় ব্রি ধান-৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৯, ৪৯, ৫১, ৫২, ৫৬, ৬২, ৮৭ হাইব্রিড ধানী গোল্ড, স্বর্ণ-৫, বিনা-৭, জিরা শাইল, গুটিস্বর্ণা ও কাটারী ভোগ জাতের আমন ধান।

এছাড়াও, স্থানীয় মামুন ও রনজিত, পটল পাইরী, চয়ন জাতের ধান স্বল্প সময়ে (৯০ দিন) অল্প খরচে কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করে। নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় ২০২০-২০২১ রোপা আমন চাষ মৌসুমে ৭১ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ৬৭ হাজার ৯৮০ হেক্টর, হাইব্রীড জাতের ৩ হাজার ৪১০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের রয়েছে এক হাজার ২০ হেক্টর। এতে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ১৫ হাজার ৭৫৮ মেট্রিক টন।

জয়পুরহাটের ৫ উপজেলায় রোপা আমন চাষ সফল করতে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। আলু চাষের জন্য এ জেলার কৃষকরা বেশির ভাগ জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ করে থাকেন।

কালাই উপজেলার সরাইল গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম বলেন, ৯ বিঘা জমিতে এবার আগাম জাতের বিনা-৭ ধান চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছি।

একই গ্রামের কৃষক আতিকুল ইসলাম এবার ৬ বিঘা জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ করে বিঘা প্রতি ১৮/২০ মণ ধান পেয়ে খুশি বলে জানান।

নতুন ধান বাজারে আমদানি শুরু হয়েছে। এক হাজার ৫০ থেকে এক হাজার ১শ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে বর্তমানে। এবার আমনের দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকরা খুশি। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শতকরা ৬০ ভাগ ধান কাটা মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় রোপা আমন চাষ সফল করতে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও রাজশাহী আঞ্চলিক কৃষি অফিস নিবিড় ভাবে মনিটরিং করে। এবার বীজ, সার ও বৃষ্টিপাতের কোন সমস্যা ছিলনা। ফলে গতবারের মতো এবারও আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছর ২০১৯-২০ রোপা আমন চাষ মৌসুমে জেলায় ৭৩ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল। এতে চালের উৎপাদন হয় দুই লাখ ২০ হাজার ৫৭০ মেট্রিক টন।

যা জেলার খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে অন্যত্র সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছিল বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স ম মেফতাহুল বারি।

x

Check Also

আলী যাকের

বরেণ্য সাংস্কৃতিক কর্মী আলী যাকেরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, বরেণ্য নাট্যকার ...

Scroll Up
%d bloggers like this: