আবরার হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার
Posted by: News Desk
October 12, 2019
এমএনএ রিপোর্ট : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ।
আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উত্তরার ১৪নং সেক্টর এলাকা থেকে মোয়াজ আবু হুরায়রা নামে বুয়েটের এই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মোয়াজ কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ওসমানপুর থানাধীন পীরপুর গ্রামের মাশরুর-উজ-জামানের ছেলে। তিনি বুয়েটের ইইই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র।
মোয়াজকে গ্রেপ্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) ওবায়দুর রহমান।
এনিয়ে আবরার হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এদের মধ্যে দুই আসামি ইফতি মোশাররফ সকাল ও মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। রবিবার মধ্যরাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার মাঝামাঝি সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
একাধিক শিক্ষার্থী ও এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে হামলাকারীদের নির্মম নির্যাতনের মুখে আবরার দুবার বমি করেন। সঙ্গে প্রস্রাবও করেন।
নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ ১৯ জনকে আটক করে পুলিশ।
আবরার হত্যাকাণ্ডে ১৯ জনকে আসামি করে গতকাল রাতে চকবাজার থানায় মামলা করেছেন তার বাবা বরকত উল্লাহ। তবে এজাহারের বাইরে বেশ কয়েকজন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুয়েট শাখার ১১ জন নেতাকর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফেনী নদীর পানি বণ্টন ও বন্দর ব্যবহারসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর থেকে হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে বুয়েটসহ সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও কর্মসূচি পালন করছে।
আবরার আরও একজন গ্রেপ্তার হত্যায় 2019-10-12