Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / এই ‘মাংসখেকো পোকাগুলো’ ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক

এই ‘মাংসখেকো পোকাগুলো’ ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : দুনিয়াতে কত কি যে আজব রকমের ঘটনা ঘটে তার কোন ইয়ত্তা নেই। এরকমই আজব হলেও সত্যি যে এই ‘মাংসখেকো পোকাগুলো’ ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক বলে অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা বিবৃতি দিয়েছেন সম্প্রতি।

মেলবোর্নের ব্রাইটন সমুদ্র সৈকতে ফুটবল খেলে ষোল বছরের কিশোর দাঁড়িয়েছিল সমুদ্রের জলে পা ডুবিয়ে। আচমকাই সে খেয়াল করল তার পা ভেসে যাচ্ছে রক্তে! গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে তার পায়ে। কী করে এমন ক্ষত সৃষ্টি হল ভেবে ভেবেও কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিল না সে।

স্যামকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে যায় বাড়ির লোক। কিছুতেই রক্ত বন্ধ হচ্ছিল না। বারবার জল দিয়ে ধুয়েও কোনও লাভ হচ্ছিল না। অনর্গল রক্তস্রোতে ঢেকে যাচ্ছিল পায়ের পাতা ও গোড়ালি।

এর পর ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন তার বাবা জ্যারড কানিজে। দু-দু’টি হাসপাতাল ঘুরেও কোনও আঁচ মেলেনি সমুদ্রের কোন অজানা প্রাণী কিশোরের এই অবস্থার জন্য দায়ী।

এরপর জ্যারড নিজেই চলে যান সৈকতে। যেখানে দাঁড়িয়েছিল স্যাম, সেখানকার জলে জাল ফেলে তিনি তুলে আনেন সেই প্রাণীদের। দেখা যায় ওই জলে কিলবিল করছে উকুন বা ছারপোকার মতো খুদে খুদে পোকা। চেহারায় খুদে হলেও তাদের দংশনের ক্ষমতা কেমন সে তো টেরই পাওয়া যাচ্ছে স্যামের পায়ের নিদারুণ অবস্থা দেখে।

সঙ্গে সঙ্গে সেই এসব প্রাণীকে পাঠানো হয়েছে গবেষণাগারে। গবেষক জেনেফার ওয়াকার স্মিথ জানিয়েছেন, যতটুকু দেখেছেন তাতে তার মনে হয়েছে এই প্রাণীগুলি হল সমুদ্রের মাছি। তার মতে, ওই প্রাণীগুলি ওখানে ঝাঁক বেঁধে হয়তো কোনও শিকার ধরছিল। স্যাম ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ায় ওকেই আক্রমণ করে তারা।

সমুদ্রের এই প্রাণীদের দেখা পাওয়া যে অতি দুর্লভ ব্যাপার, সে কথা জানিয়েছেন গবেষকরা। তবে মাঝে মাঝে তারা মানুষের সংস্পর্শে চলে এলে যে সেটা বিপজ্জনক ও আরো বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। সূত্র : বিবিসি

x

Check Also

টানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না, সতর্ক করল বিআরটিএ

এমএনএ প্রতিবেদক একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহণ চালানোর ফলে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, ...