Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / পোপ ফ্রান্সিসের সফর : সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও শান্তিতে নবদ্যোম

পোপ ফ্রান্সিসের সফর : সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও শান্তিতে নবদ্যোম

মীর মোশাররেফ হোসেন পাকবীর : বিশ্বের ১২০ কোটি ক্যাথোলিকের নেতা পোপ ফ্রান্সিস তিন দিনের সফরে আগামী ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ আসবেন। এর আগে ৪ দিনের সফরে ২৭ নভেম্বর যাবেন মায়ানমারে। এ বছর আগস্টের শেষ দিকে তাঁর এই সফরসূচি ঘোষণা করা হয়।
১৯৮৬ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পলের পর বাংলাদেশ সফরে আসা দ্বিতীয় পোপ হবেন তিনি। বাংলাদেশের কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও পোপের এই সফরকে ”ঈশ্বরের আশীর্বাদ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের পৌনে চার লাখ ক্যাথোলিক তাদের পাশে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার উপস্থিতি অনুধাবনের সুযোগ পাবে।
পোপ ফ্রান্সিস শুধুমাত্র সারা বিশ্বের ক্যাথোলিকের নেতাই নন, একই সাথে তিনি ”ভ্যাটিক্যান সিটি”র  রাষ্ট্রপ্রধানও বটে। তাঁর এই আগমন রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে বিবেচিত এবং বাংলাদেশ ও মায়ানমারে নানা কর্মসূচিতে তিনি এ সময় ব্যস্ত থাকবেন।
২০১৬ সালের প্রথমভাগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ ক্যাথোলিক বিশপদের সম্মেলনের পক্ষ থেকে পোপ ফ্রান্সিসকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাঁর এই সফর বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক; কারণ ধর্ম নির্বিশেষে সারা বিশ্বের কাছে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তি।
পূর্বজ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের অবসর গ্রহণের পর ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ পোপের পদ লাভ করার পর থেকেই পোপ ফ্রান্সিস সারা বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত ও দুঃখী মানুষের পাশে রয়েছেন। তিনি সর্বদাই সারা বিশ্বের অবহেলিত ও কষ্টে দিনাতিপাত করা মানুষদের জন্য শান্তির জন্য প্রার্থণা করেছেন।
১৯৩৬ সালে আর্জেন্টিনায় জন্ম নেয়া পোপ ফ্রান্সিস পোপের পদ লাভ করার পর থেকেই তাঁর ভ্যাটিকানের রক্ষণশীল দর্শনের বিরোধী আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বারবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। সমাজের দরিদ্রশ্রেণীর উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে তিনি অর্থনীতিতে একনায়কতন্ত্রের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি গীর্জার সমালোচনা করতেও পিছপা হননি এবং এর গঠন ও নেতৃত্বকে বদলাতেও ভীত হননি।
জলবায়ু পরিবর্তনে বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারেও পোপ ফ্রান্সিস জোর দিয়ে যাচ্ছেন। বিবাহ বিচ্ছেদ, গর্ভপাত, সমকামী বিবাহ এবং গর্ভনিরোধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তিনি গীর্জার অবস্থার পরিবর্তন করতে পেরেছেন। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে তিনি মুসলমান সম্প্রদায়েরও প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তিনি সকল ধর্মের গুরুত্বকেও স্বীকৃতি দিয়েছেন। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সারা বিশ্বের মানুষের দুঃখ, কষ্ট হ্রাস করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই পোপ ফ্রান্সিসকে অতি দ্রুত সারা বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।
পোপ ফ্রান্সিসের কাংলাদেশ ও মায়ানমার সফরের দর্শন ও লোগো যথাক্রমে ‘সম্প্রীতি ও শান্তি’এবং ‘ভালোবাসা ও শান্তি’। ব্যাখ্যানুযায়ী তাঁর সফরের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে ধর্ম, সংস্কৃতি, সমাজ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিভিন্ন ধারার মানুষের মাঝে সম্প্রীতির আহবান জানানো এবং একই সাথে বাংলাদেশের মানুষের মানবিক ও আত্মিক উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যত অনুপ্রেরণা যোগানো।
এই দর্শনের মাধমে ভ্যাটিকান বাংলাদেশে ধর্ম ও জাতি নির্বিশেষে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ করেছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিতের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন এবং তার জন্য বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের অনেক প্রশংসাও অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বিগত কয়েক বছর ধরে সকল সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের লোকেরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবগুলো পালন করে আসছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি দিক নির্দেশনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সকল ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছে। এই উৎসবগুলো চলাকালীন কোন সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনা লক্ষ্য করা যায়নি। তদুপরি সকল ধর্মীয় উৎসবে যেমন; দুর্গাপুজায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৭ সালে বিশেষত এই উৎসবগুলো সর্বোচ্চ পরিধিতে উদযাপিত হয়।
কিছু জঙ্গি সংগঠন এখনও যেমন; নব্য জেএমবি ও আইএসআইএস (যদিও বাংলাদেশে তাদেরে উপস্থিতির কোন যথার্থ প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি)-এর উত্থানের দরুন বাংলাদেশ সরকার এই বছর অত্যন্ত সতর্ক ছিল। ফলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর আনন্দঘন উৎসব উদযাপনে কোন ধরণের ব্যাঘাত ঘটেনি। জাতিগত দিক থেকে বিবেচনা করলেও বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন জাতি ও উপজাতির লোকজনের সম-অধিকার নিশ্চিত করেছে। তারা এমনকি শিক্ষা ও চাকুরির ক্ষেত্রে ‘কোটা’সুবিধা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই সর্বত্র সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনঃস্থাপিত হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। যদিও কিছু কিছু ছোট অনাকাঙ্খিত ঘটনা বিভিন্ন সময়ে ঘটেছে। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় এক সময় বিদ্রোহের ঘটনাও ঘটেছিল; তবে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরই তা নিস্পত্তি হয়ে যায়। অতএব যেহেতু বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ইতিমধ্যেই বিদ্যমান, পোপের সফরসূচির উদ্দেশ্য ব্যাতিক্রম কিছু হতে পারতো। কিন্তু অবশ্যই ভ্যাটিকানেরও এই দর্শন নির্বাচিত করার পেছনে যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে নিশ্চয়ই।
পোপ ফ্যান্সিসকে আমাদের মাতৃভূমিতে উদ্বাত্ত স্বাগত জানানোর এবং আন্তরিক আতিথেয়তা প্রদানের একটি বিশাল সুযোগ লাভ করেছে বাংলাদেশ। এমতাবস্থায় পোপ যদি একটি স্টেডিয়ামে বা খোলা স্থানে এদেশের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতেন তবে তা আরো ভালো হতো। কিন্তু কিছু সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের কারণে তাতে কিছুটা ঝুঁকি রয়ে যায়। যদিও বাংলাদেশ সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো বারে বারে প্রমাণ করেছে যে এই ধরণের কোনো অনুষ্ঠানে পূর্ণ নিরাপত্তা প্রদান করতে তারা সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।
পোপ ফ্রান্সিসের মায়ানমার সফরের দর্শন হচ্ছে ‘ভালোবাসা ও শান্তি’। কিন্তু বর্তমানে তাদের রাখাইন রাজ্যের যে চিত্র তাতে সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গারা বর্বরোচিত নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। তার আলোকে সেখানে ভালোবাসা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনের পরবর্তী ধাপ, অত্যন্ত কঠিন মনে হয়।
এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগই মুসলমান আর এটি মায়ানমার সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধদের রোষের প্রধান কারণ। তাই আমরা বিশ্বাস করি যে, সেখানে ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেবার আগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি।
রোহিঙ্গারা হচ্ছে প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মায়ানমারে নিগৃহীত সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়। পোপ ফ্রান্সিস এই রোহিঙ্গাদের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। তিনি বেশ কয়েকবার এই রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলেছেন এবং বিশ্ব সম্প্রদায়কে তাদের দুঃখ-কষ্ট নিরসনে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আহবানও জানিয়েছেন। চলতি বছরের ২৭ আগস্ট তিনি বলেছেন, “আমি তাদের সাথে আমার নিকটবর্তীতা প্রকাশ করতে চাই এবং আমরা সকলেই ঈশ্বরকে তাদের রক্ষা করতে বলবো এবং শুভ বিশ্বাসী মানব-মানবীদেরকে তাদেরকে সাহায্য করতে ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে অনুরোধ করবো।”
রোহিঙ্গাদের প্রতি তাঁর ক্রমাগত সমর্থন ও তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণে তৎপরতার পরেও তাঁর সফর কর্মসূচিতে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য অথবা বাংলাদেশের টেকনাফ কিংবা উখিয়ার কোন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কোনো পরিকল্পনা না থাকাটা অত্যন্ত বিস্ময়কর। পোপ ফ্রান্সিস যিনি বিশ্ব শান্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন; এই স্থানগুলো পরিদর্শনের বিষয়টি তাঁর সফরসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন।
পোপের সফরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা নতুনভাবে আলোতে চলে আসতে পারতো। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো আশা দেখা যাচ্ছে না- যদিও এখনও পরিকল্পনা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। কারণ পোপ ফ্রান্সিস হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো পরিদর্শন করতে পছন্দ করেন। যেভাবে তিনি ২০১৪ সালে ক্যাথোলিকদের পবিত্রভূমি জেরুজালেম সফরকালে বেথেলহামে ঝটিকা সফর করেছিলেন। কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও অবশ্য ইঙ্গিত করেছেন যে, পোপ ফ্রান্সিস রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাথে দেখা করবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।
পোপের সফরের আরেকটি দিক হলো মায়ানমারে প্রথমে এবং পরে বাংলাদেশে সফর করা। যদি পোপ আগে বাংলাদেশে আসতেন তবে বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার প্রকৃত চিত্রটি মায়ানমারে যাবার আগেই তিনি দেখতে পেতেন। এই রোহিঙ্গারা তাদের সবকিছুই হারিয়ে ফেলেছে। তারা তাদের সম্পদ হারিয়েছে, তাদের বাড়ি-ঘর হারিয়েছে, তাদের নাগরিকত্ব হারিয়েছে এবং সর্বোপরি তাদের সম্মানটুকুও হারিয়েছে।
পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের দুঃখের গল্পগুলো শুনতে পারতেন যা থেকে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মানবতার একটি চিত্র ফুটে উঠতো। আমরা নিশ্চিত যে, রোহিঙ্গাদের এই দুরবস্থা পোপ ফ্রান্সিসকে অবশ্যই নাড়া দিত এবং পরবর্তীতে তাঁর মায়ানমার সফরের সময়ে তিনি এ ব্যাপারে দেশটির সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করতে পারতেন। এটি শুধুমাত্র আমাদের নিজস্ব বিচার-বিবেচনা যে, কিভাবে রোহিঙ্গাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পোপ ফ্রান্সিস আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি, মানবতার রক্ষক ফ্রান্সিস রোহিঙ্গাদের যথাযথ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
শুধুমাত্র খিস্ট্রান ধর্মাবলম্বলীরাই নয় বরং বাংলাদেশের সকল ধর্মের লোকেরাই পোপ ফ্রান্সিসের সফরের দিকে উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে আছে। এটি বাংলাদেশের গীর্জাগুলোর সফলতা যে, অল্প সংখ্যক ক্যাথোলিক থাকবার পরে তারা এদেশে পোপের সফরের জন্য যথার্থ বলে প্রমাণ করতে পেরেছে।
পোপের কাছ থেকে কিছু শিখতে পারার এক বিশাল সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সকল ধর্মই শান্তিতে বিশ্বাসী। কিন্তু তা সত্ত্বেও ধর্মের নামে বিশ্বজুড়েই শান্তিকে বিনষ্ট করা হচ্ছে। পোপ ফ্রান্সিস পোপের পদ লাভ করার পর থেকেই সকল ধর্মের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শণ করেছেন যা তাঁকে সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও শান্তির এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্তে পরিনত করেছে।
আমরা আশা করি যে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তির দৃষ্টান্ত হয়ে থাকা বাংলাদেশে পোপের সফরের পর এই বিষয়গুলোর উপরে নতুন উদ্যম ও জোর দেয়া হবে। যাতে করে বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ সমাজের সকল স্তরে মানবতাকে রক্ষা করার বৃহত্তর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। যদি তা হয়, তবে বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রেই বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে এবং এটিই আমাদের সকলের কাম্য।
লেখক : প্রধান সম্পাদক, মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ)।
x

Check Also

টানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না, সতর্ক করল বিআরটিএ

এমএনএ প্রতিবেদক একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহণ চালানোর ফলে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, ...