বিজিএমইএ ভবন ভাঙার সময় নিয়ে আদেশ ২৭ মার্চ
Posted by: News Desk
March 25, 2018
এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় হাতিরঝিলে অবৈধভাবে নির্মিত পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র ভবন ভাঙতে আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৭ মার্চ আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।
বিজিএমইএর আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ রবিবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করে।
এদিন আদালতে বিজিএমইএর’র পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মঞ্জিল মোরসেদ।
গত বছরের ৮ এপ্রিল ভবনটি ভাঙতে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষকে সাত মাস সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
আদালত তার আদেশে বলেছিলেন, ‘এটাই শেষ সুযোগ। আর সময় দেওয়া হবে না।’
ওই সময় শেষ হওয়ার কয়েকদিন বাকি থাকতেই গত ৫ মার্চ ভবনটি ভাঙতে আরও এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ।
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন লেক হাতিরঝিলের বুকে দাঁড়িয়ে আছে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ১৬ তলা বিশিষ্ট বিজিএমইএ’র ভবনটি। এই ভবন নির্মাণে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন ছিল না। শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশকর্মীরা।
গত বছরের ৫ মার্চ আপিল বিভাগ বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) করা আবেদন খারিজ করে দেন। ওই সময় বিজিএমইএ’র পক্ষ হতে ভবন থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র স্থানান্তরের জন্য তিন বছর সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। আদালত ১২ মার্চ আবেদন নিষ্পত্তি করে তাদের ছয় মাস সময় দেন।
এর আগে ২০১০ সালের ৩ এপ্রিল সৌন্দর্যমণ্ডিত হাতিরঝিল প্রকল্পে বিজিএমইএ ভবনকে ‘একটি ক্যান্সার’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই সময় আদালত ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ছয় মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ভবন ভেঙ্গে ফেলার জন্য নির্দেশ দেয়। ওই সময় আদালত বলেছিলেন, এটিই শেষ সুযোগ। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না। এর আগে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হলেও ভবন থেকে সরে যেতে পারেনি বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।
আদেশ বিজিএমইএ ভবন ভাঙার নিয়ে সময় ২৭ মার্চ 2018-03-25