এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : লর্ডস, ওভাল, অ্যাডিলেড কিংবা ইডেন গার্ডেনস। নামে, ঐতিহ্যে, বহরে প্রথম সারিতে। এই সব মাঠ ছাড়াও বিশ্বের এমন কিছু নয়নাভিরাম ক্রিকেট গ্রাউন্ড রয়েছে, সেখানে স্টেডিয়ামে বসে শুধু খেলা দেখাই নয়, গ্রাউন্ডের নান্দনিক দৃশ্য তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। কেমন দেখতে সেই সব গ্রাউন্ডগুলো?

কুইন্সটউন ইভেন্ট সেন্টার, নিউজিল্যান্ড :
ইন্সটউন ইভেন্ট সেন্টার, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ২০১৪ সালে ১৮ বছর আগে শাহিদ আফ্রিদির দ্রুততম শতরানের রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার নজির গড়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের কোরি অ্যান্ডারসন। সাক্ষী ছিল নিউজিল্যান্ডের ওটাগোর কুইন্সটউন ইভেন্ট সেন্টার গ্রাউন্ড। পাহাড়ে ঘেরা এই গ্রাউন্ডের অন্যতম আকর্ষণ সামনেই লেক ওয়াকাতিপু আর খুব কাছ থেকেই বিমান উড়ে যাচ্ছে কুইন্সটউন বিমানবন্দর থেকে।

এইচপিসিএ স্টেডিয়াম, ধর্মশালা, ভারত :
এইচপিসিএ স্টেডিয়াম, ধর্মশালা, ভারত ক্রিকেট গ্রাউন্ডটি চমৎকার সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি। এটি ধর্মশালার পাহাড়ে কোলে তৈরি হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। ২৩ হাজার সিট রয়েছে এই স্টেডিয়ামে। ২০০৩ সালে স্টেডিয়াম তৈরি হলেও ২০১৩ তে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলা হয়। ধর্মশালা
স্টেডিয়াম থেকে এই জায়গা দালাই লামার হোমটাউন নামে পরিচিত বিশ্বের কাছে।

পুকেকুরা পার্ক, নিউজিল্যান্ড :
পুকেকুরা পার্ক, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের থেকে বেশি জনপ্রিয় অন্য কারণে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুকেকুরা পার্কে সেজে ওঠে রংবেরংয়ের আলোর সাজে। প্রতি বছর ফেস্টিভ্যাল অব লাইটের জন্য বিখ্যাত পুকেকুরা পার্ক। তার সঙ্গে তারানাকির নিউ পলিমাউথের বুকে ৫২ হেক্টর জুড়ে রয়েছে অসাধারণ বাগান।

রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ :
রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ভিভিয়ান রিচার্ডস টেস্টে দ্রুততম শতরানটি করেছিলেন। ১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৫৬ বলে শতরান করেন। যদিও ৫৪ বলে শতরান করে সেই রেকর্ড ভেঙে দেন ব্রেন্ডন ম্যাকালাম।
এটি অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার ন্যাশানাল গ্রাউন্ড। অ্যান্টিগুয়া দ্বীপে কাছে অবস্থিত রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডের বিশেষত্ব খেলা চলাকালীন স্টেডিয়ামে চলে গান, বাজনা, মিউজিক সঙ্গে নানান আমোদ-প্রমোদ।

লিনটন অ্যান্ড লিনমাউথ সিসি, ইংল্যান্ড :
লিনটন অ্যান্ড লিনমাউথ সিসি, ইংল্যান্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আন্তর্জাতিক ম্যাচ না হলেও ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যপূর্ণ মাঠগুলির মধ্যে একটি লিনটন অ্যান্ড লিনমাউথ সিসি। ১৮৭৬ সালে তৈরি এই ক্রিকেট গ্রাউন্ড অবস্থিত দ্য ভ্যালি অব রকসের কোলে। সামনেই রয়েছে নয়নাভিরাম সমুদ্র।

ওর্মসলে পার্ক, ইংল্যান্ড :
ওর্মসলে পার্ক, ইংল্যান্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাকিংহামশায়ারের এই পার্ক স্যার পল গেটিস গ্রাউন্ড নামে পরিচিত। ২৫০০ একর জায়গা জুড়ে ওর্মসলে পার্ক এস্টেট। আন্তর্জাতিক খেলা না হয়ে থাকলেও অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, ইমরান খান, মাইক গেটিংরা খেলেছেন এই মাঠে।

পালেকেলে স্টেডিয়াম, শ্রীলঙ্কা :
পালেকেলে স্টেডিয়াম, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পালেকেলে ইন্টারন্যাশানাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম এখন মুথাইয়া মুরলীধরন স্টেডিয়াম নামে বেশি পরিচিত। ক্যান্ডির এই স্টেডিয়ামের চারপাশ সবুজ গাছ ও পাহাড় দিয়ে ঘেরা।

আরনস ভেল স্টেডিয়াম, কিংসটাউন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ :
আরনস ভেল স্টেডিয়াম, কিংসটাউন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ক্যারিবিয়ান সি-র ধারে অবস্থিত কিংসটাউনের আরনস ভেল স্টেডিয়াম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হোম গ্রাউন্ড। ১৯৯৭ সালে প্রথম টেস্ট খেলা শুরু হয় শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজের
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
