Don't Miss
Home / আইন আদালত / রুপার লাশ কবর থেকে তোলার আদেশ
ধর্ষণের পর হত্যার শিকার রূপা খাতুন।

রুপার লাশ কবর থেকে তোলার আদেশ

এমএনএ রিপোর্ট : টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যা করা তাড়াশের রুপা খাতুনের (২৭) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম গোলাম কিবরিয়া এ আদেশ দেন।

রুপা হত্যা মামলার আইনজীবী আতাউর রহমান আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে দুপুর ১টার দিকে টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম গোলাম কিবরিয়া কবর থেকে রুপার লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন।

তিনি আরো জানান, দুপুর ২টার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক কাইয়ুম সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে রুপার লাশ উত্তোলন করা হবে।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, রুপার লাশ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আদেশ দিয়েছেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লাশ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

এদিকে রুপার ভাই হাফিজুর রহমান গষমাধ্যমকে জানান, লাশ উত্তোলনের পর তাড়াশে রুপার জন্মস্থান আসানবাড়ী গ্রামে আনা হবে। পরে বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।

প্রসঙ্গত. গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানা পুলিশ ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের ২৫ মাইল এলাকার সুমী নার্সারির নিকট রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। একই দিন ময়না তদন্ত শেষে মধুপুর থানা পুলিশ বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করেন। ঘটনার তিনদিন পর গত সোমবার ছবি দেখে রুপার লাশ সনাক্ত করেন বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় বাসের চালক, হেলপার, সুপারভাইজারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এবার বাসটির চালক ও সুপারভাইজারও দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আমিনুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া ও মো. শামছুল হক আলাদাভাবে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাইয়ুম খান চৌধুরী।

জবানবন্দি রেকর্ডের পর এই দুজনকেও কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন—’ছোঁয়া পরিবহনের’ চালক হাবিব ও সুপারভাইজার সফর আলী ওরফে গেদু। এ দুজনের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে।

এ নিয়ে গণধর্ষণের পর হত্যার এই ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর পাঁচ আসামিই এখন কারাগারে।

x

Check Also

নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত

বিশেষ প্রতিবেদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়া এবং দীর্ঘদিনের নানা ...