Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

এমএনএ রিপোর্ট : অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকার পাশে থাকার তাঁর সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আজ শনিবার সিডনিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে টার্নবুল রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার তাঁর দেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকে তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করেন।
শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অস্থায়ী আশ্রয় দেওয়া সম্পর্কে ঢাকার গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়টি টার্নবুলকে অবহিত করেন এবং জোর করে বাস্তুচ্যুত এসব রোহিঙ্গার জন্য তাঁর সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের গ্রামে গ্রামে নির্বিচারে হত্যা, জ্বালাও-পোড়াওয়ের মুখে গত বছরের ২৫ অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারের নাগরিক এই রোহিঙ্গারা তাদের আবাসভূমি ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে এখন প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে।
মিয়ানমার তাদের এই নাগরিকদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তিও করেছে।
প্রথম দফায় প্রত্যাবাসনের জন্য আট হাজার ৩২ জনের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছিল মিয়ানমারকে। ওই তালিকা যাচাই-বাছাই করে ৩৭৪ জনকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করার কথা জানিয়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলেছিল, যে কোনো সময় তাদের ফিরিয়ে নিতে তারা প্রস্তুত। তবে এখনও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তাদের জন্য অস্থায়ী বাসস্থান নির্মাণের বিষয়েও টার্নবুলকে জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতেও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
টার্নবুলের সঙ্গে বৈঠকে ওসানোগ্রাফিতেও (সমুদ্র সম্পদ নিয়ে গবেষণা) অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
ইহ্সানুল করিম বলেন, বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার যথোপযুক্ত উপায় খুঁজে বের করতে উভয়ে রাজি হন।
শেখ হাসিনা অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টার্নবুলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বলেন, পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সুবিধাজনক সময়ে তিনি ঢাকা সফর করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
x

Check Also

সক্ষমতা

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় ...