Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলায় নিহত ৫৮

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলায় নিহত ৫৮

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : সিরিয়ার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব প্রদেশে রাসায়নিক গ্যাস হামলায় শিশুসহ অন্তত ৫৮ জন নিহত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের খান শেখুন নামে ওই শহরটির ওপর দেশটির সরকারি বিমান বাহিনী বা রুশ জঙ্গি বিমান থেকে হামলা চালানো হয় বলে দাবি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংস্থার।

মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১১টি শিশু রয়েছে। হামলার পরই শিশুসহ বহু লোককে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায় – যারা শ্বাস নিতে পারছিলেন না। তবে হামলায় কি ধরনের গ্যাস ব্যবহার হয়েছে তা সঠিকভাবে জানাতে পারেনি সংগঠনটি।

অনিশ্চিত কয়েকটি খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় কয়েকটি ক্লিনিকের ওপর বিমান হামলা হয়েছে।

সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে এর আগেও বিদ্রোহীদের উপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু তারা তা বরাবরই অস্বীকার করেছে।

চিকিৎসাকর্মীরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি করা বা মুখে ফেনা উঠতে থাকার মতো লক্ষণ দেখা গেছে।

আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল এমন একটি ক্লিনিকেও রকেট হামলা চালানো হয়। নিহতের সংখ্যা নিয়েও নানা ধরণের তথ্য পাওয়া গেছে।

সরকার বিরোধী ওরিয়েন্ট নিউজ টেলিভিশন জানিয়েছে, এ হামলায় ৬০ জন নিহত ও দেড়শ জন আহত হয়েছে। ওদিকে, ইদলিবের চ্যারিটি এম্বুলেন্সের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ রাসোল নিহতের সংখ্যা ৬৭ এবং আহতের সংখ্যা ৩শ’ উল্লেখ করেছেন। আবার বিদ্রোহীপন্থি স্টেপ নিউজ এজেন্সি মৃতের সংখ্যা ১শ’ উল্লেখ করেছে।

একটি দাতব্য সংস্থার কর্মী মোহাম্মদ রসুল গণমাধ্যমকে বলেছেন, নিহতের সংখ্যা ৬৭ এবং আহত হয়েছে ৩০০ জন।

বিদ্রোহীদের সমর্থক একটি বার্তা সংস্থা বলছে, ওই হামলায় ১০০ জন নিহত হয়েছে।

ইদলিব মিডিয়া সেন্টার নামে একটি বিদ্রোহী-সমর্থক সংস্থা বলছে, তাদের ধারণা সারিন নামের নার্ভ-গ্যাস আক্রমণ চালানো হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পূর্ব দিকে বিদ্রোহীদের শক্তিকেন্দ্র পূর্ব গৌতায় সরকারি জঙ্গি বিমানগুলোর ব্যাপক বোমাবর্ষণে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়।

x

Check Also

সক্ষমতা

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় ...