এমএনএ প্রতিবেদক
দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ এখনও আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে সরকারের বিভিন্ন নিরাপদ পানি সরবরাহ কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২৬ সালের মধ্যে এ হার ৫ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা জানতে চান, সারাদেশে আর্সেনিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এ পর্যন্ত কী ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ অনুযায়ী বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে নিরাপদ পানির আওতায় আনতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর নলকূপ, পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, পুকুর খনন ও পুনঃখনন এবং সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের ফলে ২০২৬ সালের মধ্যে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার বর্তমানের ১১ শতাংশ থেকে কমে ৫ থেকে ৬ শতাংশে নেমে আসবে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
