রোহিঙ্গাদের নিয়ে নজিরবিহীন সংকটের মুখোমুখি দেশ : প্রধানমন্ত্রী
Posted by: News Desk
November 15, 2017
এমএনএ রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দেওয়া এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ এক নজিরবিহীন সংকটের মুখোমুখি। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও শান্তিপূর্ণ উপায়ে এ সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সফল হবে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মৌলভীবাজার-২ আসনের সাংসদ আবদুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ও বিরোধীদলের একাধিক সংসদ সদস্যের লিখিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বহু ব্যর্থতার ইতিহাস বিএনপি নেত্রীরই রয়েছে। ব্যর্থতা ছাড়া সফলতা দেখার মত মানসিকতাও তার নেই। যিনি সব কাজেই ব্যর্থ, তিনি অন্যের সব কাজে ব্যর্থতাই দেখবেন—এটাই স্বাভাবিক। যার চোখ থাকতে অন্ধ, তাকে দেখাবে কে? বিএনপি-জামায়াত সবকিছুতেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে ব্যস্ত। মানবিক কোন গুণাবলী তাদের (খালেদা জিয়া ও বিএনপি-জামায়াত) মধ্যে নেই—এটাই হলো বাস্তবতা।’
রোহিঙ্গা সংকটের সুযোগ নিয়ে কেউ দেশে অশান্তি ও সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করলে কিংবা উস্কানি দিলে জড়িত ও উস্কানিদাতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সংসদ নেতা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রেখে চলতে চায়। কিন্তু কাউকে এদেশের মাটি ব্যবহার করে অন্যদেশে কোনো রকম সংঘাত ও সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে দেওয়া হবে না। যারা এটি করার চেষ্টা করবে এবং উস্কানি দেবে—তাদের সবার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রোহিঙ্গাদের দেখতে বিশাল বহর নিয়ে খালেদা জিয়ার কক্সবাজার যাত্রা ও কিছু অযাচিত মন্তব্য সংক্রান্ত সরকারি দলের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গ্রামে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে—’পাগলে কি-না কয়, ছাগলে কি-না বলে।’ যিনি (খালেদা জিয়া) দেখেও দেখেন না, তাকে দেখাবার কিছু নেই। তার সব কাজেই তো ব্যর্থতা। নির্বাচন ঠেকানোর নামে ২০১৩ সালে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। কিন্তু নির্বাচন ঠেকাতে পারেননি। জনগণই তাকে ঠেকিয়ে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটচুরি করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলেন। থাকতে পারেননি। দেড় মাসের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করেছিল। সেনানিবাসের দখলকৃত বাড়ি রক্ষায় আদালতে মামলা করতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন। বাড়ি হারিয়ে অঝোর ধারায় কাঁদলেন, বাড়ি আর রাখতে পারলেন না। এমন বহু ব্যর্থতার ইতিহাস বিএনপি নেত্রীর আছে। মানবিক কোনো গুণাবলীই তার মধ্যে নেই।’
শেখ হাসিনা জানান, কাজেই তার (খালেদা জিয়া) বক্তব্যকে তিনি ধর্তব্যে নেন না। যারা স্বাধীনতাবিরোধী ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে—তাদের কথায় কোনো গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। সরকার তাদের কাজ করে যাবে।
দুর্গত রোহিঙ্গাদের দেখার নামে খালেদা জিয়ার বিশাল বহর নিয়ে কক্সবাজার সফরের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মানবিক কারণে অসহায়-নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। এটা হচ্ছে একটা অনুভূতি ও বোধের ব্যাপার। কিন্তু বিএনপির সেই বোধটা আছে কি-না, সেটাই প্রশ্ন। বিএনপি নেত্রী যেভাবে সাজসজ্জা, ঢোল-বাদ্য ও হাতি-ঘোড়া সবই নিয়ে কক্সবাজার গেলেন—সেটি দেখে সবার প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, বিএনপি নেত্রী কী কোন দুর্গত মানুষকে দেখতে গিয়েছিলেন, নাকি সেখানে বরযাত্রী হিসেবে গেলেন? কী করতে সেখানে গিয়েছিলেন? সেটা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।’
রোহিঙ্গা সংকটের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোটসহ স্বাধীনতাবিরোধীরা এদেশে সংঘাত ও সহিংসতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে, উস্কানি দিচ্ছে; এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কী-না—তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুর বশর মাইজভাণ্ডারীর এমন সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নেওয়া শুরু হয় ১৯৭৮ সাল থেকে। যখন জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন—তখন থেকেই এই সংকটের শুরু হয়। পাবর্ত্য সমস্যারও সৃষ্টি হয় ওই সময় থেকেই। এখনও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে দেশে সংঘাত ও অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে। এখানে যে কিছু উস্কানি আছে—তাতেও সন্দেহ নেই। তবে সরকার সচেতন আছে। খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।’
এ প্রসঙ্গে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়েছে। তাদের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা যাতে কোনো অপরাধে জড়িত না হন—সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।’
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের এদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের সব দেশ বাংলাদেশের এমন মানবিক অবস্থানের প্রশংসা করেছে। সেই সঙ্গে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা যাতে স্বদেশে ফিরে যেতে পারে, সেজন্য বিশ্ববাসী জোরালোভাবে তৎপর রয়েছে।’
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার আশ্রয় নেওয়ার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক, বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ার ফলে বন ও পাহাড়ি অনেক গাছপালা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলমূলের চাষাবাদ করে যারা জীবিকা নির্বাহ করতেন—তারা সে সুযোগ পাচ্ছেন না। এতগুলো মানুষ (রোহিঙ্গা) এদেশে এসেছে। এতে করে বিশেষ করে এদেশের গরিব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই মানুষগুলোর খাদ্য ও জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থাও সরকার করে দেবে। ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় ও খাদ্য দেওয়া হচ্ছে। সেখানে মাত্র ১৫ হাজার মানুষকে সহযোগিতা করতে পারবো না—এতটা দৈন্যতায় সরকার পড়েনি।’
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা জানান, ‘এদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কারো কারো শরীরে এইচআইভি জীবাণু পাওয়া গেছে। নানা শারীরিক সমস্যাও দেখা দিয়েছে। তাদের আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মাধ্যমে সারাদেশে যেন রোগজীবাণু ছড়াতে না পারে—সে বিষয়েও সরকার সচেতন রয়েছে।’ রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন এলাকায় একাধিক মেডিকেল ও স্বাস্থ্যসেবা টিম কর্মরত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে রোহিঙ্গা সংকট ও এদেশের তাদের আশ্রয়দান সংক্রান্ত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া ছিল বাংলাদেশর একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এ কারণে বাংলাদেশের নাম আজ বিশ্বনেতাদের কণ্ঠে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে।’
তিনি জানান, এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় প্রায় এক কোটি মানুষ প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ তার পরিবারের সবাইকে হত্যা করার পর প্রায় ছয় বছর তিনি (শেখ হাসিনা) ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা শরণার্থীর জীবন-যাপন করেছেন। যে কারণে রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা তিনি গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারেন। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সেই অনুভূতি তাদের মধ্যে কাজ করেছে।
শেখ হাসিনা আরও জানান, তার দৃঢ় বিশ্বাস আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও শান্তিপূর্ণ উপায়ে এ সমস্যা সমাধানে সফল হবেন তারা। বাংলাদেশের উদ্যোগের ফলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা সমস্যাটি অন্যতম আলোচ্য বিষয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ নিয়ে এখন অবধি তারা মোট ছয়টি সভা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে এখনো প্রতিদিন রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এত অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার আগমনের ফলে তাদের নিরাপত্তা বিধান ও মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে হচ্ছে। মানবিক কারণে এদের আশ্রয় দিলেও এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে দীর্ঘকাল বাংলাদেশে রাখা সম্ভব হবে না। লাখ লাখ অসহায় রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা ও তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ আজ এক নজিরবিহীন সংকটের মুখোমুখি। মনে রাখা প্রয়োজন, রোহিঙ্গা সমস্যার মূল উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেদেশকেই করতে হবে।’
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষও সচেষ্ট রয়েছে জানিয়ে সংসদ নেতা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলের জোর সমর্থন আদায়ে সফল হয়েছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশের সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও কর্মতৎপরতায় মিয়ানমারে জাতিগত নিধন বন্ধের দাবিটি আজ সার্বজনীন দাবিতে পরিণত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যে জনমত সৃষ্টি হয়েছে, তা আওয়ামী লীগ সরকারের জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই ফলাফল। সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বদেশে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিকভাবে সকলের প্রত্যাশার অংশ।’
ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে তিনি রোহিঙ্গা সমস্যার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছেন। জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্ক পর্বের ভাষণে রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে তার পাঁচ দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব বিশ্বমহল অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। আজ কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সবাই এ সমস্যা নিয়ে চিন্তিত। জাতিসংঘ মহাসচিব ও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারসহ বরেণ্য বিশ্বনেতারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো নির্যাতনের নিন্দা জানিয়েছেন। রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধানে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গাদের দুঃখদুর্দশা লাঘবে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। সেলিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদসহ বিগত আট বছরে তিনি ২৭টি পুরস্কার ও ১৩টি সনদ পেয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোনো সরকারের আমলে কোনো সরকারপ্রধানই এতগুলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে পারেননি।
নিয়ে রোহিঙ্গা নজিরবিহীন সংকটে দেশ : প্রধানমন্ত্রী 2017-11-15