আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি সম্পাদনের জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গাজায় আয়োজিত “বোর্ড অব পিস” সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সতর্ক করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে “খারাপ কিছু” ঘটতে পারে।
ট্রাম্পের এই আল্টিমেটামের পরপরই তেহরান কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস–এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলেন, ইরানের ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরান যুদ্ধ চায় না; তবে হামলা হলে তার জবাব দেওয়া হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ইরানে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা বাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হবে তেহরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক পদক্ষেপে ফল না এলে আরও বিস্তৃত সামরিক অভিযানের আশঙ্কা রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে লক্ষ্য হতে পারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনী–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানো।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই বক্তব্য ও পাল্টা হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

