সংসদ প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংসদ বাংলাদেশের জনগণের প্রকৃত সংসদ এবং দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ করে বলেন, সংসদকে প্রাণবন্ত ও কার্যকর করতে সরকার কাজ করতে চায় এবং এ ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সংসদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সরকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এ সময় তিনি তাঁদের অভিনন্দনও জানান।
অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির শফিকুর রহমানও স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ ‘জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়ানো সংসদ’। তাঁর আশা, স্পিকারের কাছে সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা বিবেচিত হবে না এবং সংসদের সব সদস্যই তাঁর কাছ থেকে সুবিচার পাবেন।
বিরোধী দলের নেতা সংসদে অনেক তরুণ নেতার উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে নিজেকেও তরুণ বলে উল্লেখ করেন। স্পিকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আপনি একজন লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা। আপনি পারবেন।” তিনি স্পিকারের কাছে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে বক্তব্য শেষ করেন।
এর আগে সংসদে কয়েকজন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনা হয়। এর মধ্যে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মীয় প্রধান পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের প্রতিও শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
তবে এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতা অভিযোগ করেন, শোকপ্রস্তাবটি একপেশে হয়েছে। তিনি দাবি জানান, সাবেক নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান এবং শরিফ ওসমান হাদিসহ বিভিন্ন নেতার প্রতিও শোকপ্রস্তাব আনা হোক।
বিষয়টি নিয়ে সংসদে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
