এমএনএ রিপোর্ট : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদাকে ‘মিথ্যা মামলায়’ সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হলে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে নির্বাচন দেওয়া হলে দেশের মানুষ সে নির্বাচনে অংশ নেবে না।
আজ বুধবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) সহায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু সে নির্বাচন হতে হবে সবার অংশগ্রহণে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এই নির্বাচন হতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে যাবে কি না, তা নির্ভর করবে ওই সময় কোন ধরনের সরকার ক্ষমতায় থাকবে এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কেমন থাকবে এসবের ওপর।
নতুন সিইসি কে এম নুরুল হুদাকে দলীয় ব্যক্তি আখ্যা দিয়ে ফখরুল অভিযোগ করেন, নুরুল হুদা ছাত্রজীবনে ছাত্ররাজনীতি করেছেন। পরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে সরকারি চাকরি হারিয়েছেন। ২০০৮ সালে নির্বাচনে তাঁকে আওয়ামী লীগের প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এসবের সব প্রমাণ আছে বলে দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব।
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি সরকারের আচরণের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ড. ইউনূস আমাদের গর্ব। সারা পৃথিবী তাঁকে সম্মান দিচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শত্রু চিহ্নিত করেছেন। কারণ, লোকে বলে, নোবেল পুরস্কার নাকি আপনার প্রাপ্য ছিল।’
অন্যদের মধ্যে এনপিপির সভাপতি ফরিদুজ্জামান, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এদিকে আজ দুপুরে নয়াপল্টনে এক দোয়া মাহফিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, সরকার ‘ভূতের’ মতো একজন ব্যক্তিকে রেখে ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন করে আবার ক্ষমতায় থাকতে চাইছে। এ জন্য তারা বহু নাটক, তামাশা করে নুরুল হুদাকে নিয়ে এসেছে। এই কমিশন দিয়ে ফেনী স্টাইলে নির্বাচন হবে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

