ডিএনসিসির তফসিল জানুয়ারিতে, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে
Posted by: News Desk
December 17, 2017
এমএনএ রিপোর্ট : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনের তফসিল জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে এবং উপনির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে।
নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা ও ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ঢাকা উত্তরের সম্প্রসারিত সীমানায় গঠিত নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও ৬ ওয়ার্ডে সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও ৬ ওয়ার্ডে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ভোটের জন্য আলাদা তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। হেলালুদ্দিন বলেন, তিনটি তফসিল একদিনেই ঘোষণা করা হবে। ভোটও একই দিনে হবে। নতুন ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মেয়াদও হবে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ পর্যন্ত।
২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ভোট হয়। আওয়ামী লীগের সমর্থনে ওই নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন আনিসুল হক।
প্রায় দুই বছর ধরে ওই দায়িত্ব পালনের মধ্যেই চলতি বছর জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিসে আক্রান্ত আনিসুল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগ ১ ডিসেম্বর থেকে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করায় আইন অনুযায়ী ৯০ দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ উপ নির্বাচন করতে হবে ইসিকে।
হেলালুদ্দিন বলেন, যেহেতু ঢাকা উত্তরের উপ-নির্বাচন করতে কোনো জটিলতা নেই, তাই কমিশন জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ও ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর মেয়াদ থাকে শপথ নেওয়া জনপ্রতিনিধিদের। উপ নির্বাচনে মেয়র পদে নতুন যিনি আসবেন, তিনি মেয়াদের বাকি অংশটুকু দায়িত্ব পালন করবেন।
২০১৫ সালে ভোটের পর ঢাকা উত্তরের প্রথম সভা হয় ১৪ মে। সে হিসাবে উপ নির্বাচনে নির্বাচিত মেয়র ২০২০ সালের ১৩ মে পর্যন্ত বহাল থাকবেন।
এদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ২৬ জুলাই দুই সিটি করপোরেশনে ৩৬টি ওয়ার্ড বাড়িয়ে নতুন সীমানা নির্ধারণের গেজেট জারি করে।
গত ২৬ জুলাই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৩৬টি ওয়ার্ড বাড়িয়ে নতুন সীমানা নির্ধারণের গেজেট জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর গত ৮ আগস্ট উত্তরের ১৮টি সাধারণ ও ছয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে এবং দক্ষিণের ১৮টি সাধারণ ও ছয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট আয়োজনে ইসিকে অনুরোধ জানানো হয়।
এসব ওয়ার্ডে নতুন যারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন, তাদের মেয়াদও হবে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ থাকা পর্যন্ত।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পুরাতন ৩৬টির সঙ্গে নতুন ১৮টি ওয়ার্ড যোগ হওয়ায় মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪টি। আর দক্ষিণ সিটির ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৭টি থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫টি।
জানুয়ারিতে ডিএনসিসির তফসিল নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে 2017-12-17