এমএনএ আঞ্চলিক ডেস্কঃ এবার শূণ্যরেখার অস্থায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বাংলাদেশের তুমরুতে এসে পড়লো ২ মর্টারশেল। এতে আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা। যাদের ১ জনের অবস্থা গুরুতর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তুমরু ওয়ার্ড মেম্বার দিল মোহাম্মদ ও গ্রাম পুলিশ আবদু জাব্বারসহ বাজার ব্যবসায়ীরা।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমরু কোনার পাড়া এলাকায়।
সূত্র আরো জানান, ৪ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ২ দিন ধরে প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজে তুমরু বাজার ও আশপাশ এলাকায় কেঁপে উঠছিল। ঠিক এ পরিস্থিতে শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার পরপর ২টি মর্টারশেল এসে পড়ে মিয়ানমারের ওপার থেকে। যার একটি পড়ে বাংলাদেশী নাগরিক ও কোনার পাড়ার বাসিন্দা স্থানীয় শাহ আলম ড্রাইভারের বাড়ির পাশে।
অপর ১টি শূণ্যরেখায় বসবাসরত রোহিঙ্গা ক্যাম্প। এ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে পড়া গোলাটিতে আহত হয় অন্তত ৮ জন। যাদের ১ জন মারা যায়। তার নাম মোহাম্মদ ইকবাল (২৮) পিতা মনির আহমদ। আর আহতের নাম নবী হোসেন (৩০) গুরুতর। তারা সবাই রোহিঙ্গা।
বাকী আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে রাত ৯টায় মিয়ানমারের ১টি যুদ্ধ বিমান ঘুরে গিয়ে মিয়ানমারের অংশে আরকান আর্মিকে লক্ষ করে গোলি ছুড়ে তাদের দেশে ফিরে যায়।
বাজার ব্যবসায়ী ও বাজারে আসা লোকজন জানায়, গোলাগুলি সকাল থেকে তীব্র হওয়ায় তারা এমনিই আতংকে আছে। তার মধ্যে রাতে মর্টার শেল এসে পড়ায় লোকজন ছোটাছুটি করছে। অনেকে নিরাপদে আশ্রয় নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঘুমধুমের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আজিজ।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
