Don't Miss
Home / শিল্প ও বাণিজ্য / বাজারে ৪২ টাকার নিচে মোটা চালও নেই

বাজারে ৪২ টাকার নিচে মোটা চালও নেই

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : সরকারের কঠোর উদ্যোগের মধ্যে পাইকারিতে চালের দর কমার প্রভাবে খুচরা বাজারে মোটা চালের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো কেজিতে ৪২ টাকার উপরে।

বাড়তে থাকা চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানির ঘোষণার মধ্যে ঈদের পর প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে; ২০ টন চালের প্রথম চালান বন্দরেও ভিড়েছে।

তবু এর মধ্যে খুচরা বাজারে মোটা চালের দাম কেজিতে মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকা কমে ৪২ টাকায় নেমেছে, ঢাকায় যেই চালের দাম এক বছর আগে ছিল ৩০ থেকে ৩৪ টাকা।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে কোথাও ৪২ টাকার কমে কোনো চাল বিক্রি করতে দেখা যায়নি।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পাইকারিতে মোটা চাল ৪০ থেকে সাড়ে ৪২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। খুচরা বাজারে গুটি চাল ৪২ টাকা ও স্বর্ণা ৪৩ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

আর রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৩ থেকে ৪৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায়।

মহাখালী কাঁচা বাজারের সেলিম রাইস ভাণ্ডারের মোহাম্মদ ফরহাদ জানান, এই বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, নাজিরশাইল ৫২ থেকে ৬০ টাকা এবং মোটা চাল (ভারতের স্বর্ণা) ৪৪ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ফরহাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ দিন আগেও এই বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম একই থাকলেও মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা করে। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের দাম কমেছে ৫ থেকে ৬ টাকা।

মোহাম্মদপুর কাঁচা বাজারের হারুন রাইস এজেন্সির বিক্রয়কর্মী মিজানুর রহমান জানান, মিনিকেট ৫৫ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ থেকে ৬২ থেকে, আটাশ ৪৯ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক মাস আগেও মোটা গুটি চাল ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা কেজি করে বিক্রি হলেও আজ শনিবার এই চাল ৪২ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তবে তিনি আরও জানান যে “৪২ টাকার নিচে বাজারে কোনো চাল নেই।”

হাওর অঞ্চলে অকাল বন্যার পর অসাধু ব্যবসায়ীরা চাল মজুদ করায় বাজারে চালের দাম বেড়েছে বলে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামও দাবি করেছেন। এজন্য ১৬ হাজার মিল মালিককে তিন বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মজুদ তলানীতে নেমে যাওয়ায় সরকারিভাবে চাল আমদানি করে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সরকারি মজুদ ১২ লাখ মেট্রিক টন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শুল্ক কমানোয় বিদেশ থেকে চাল আমদানিও হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের তথ্যানুযায়ী, ১২ জুলাই সরকারি গুদামে ৩ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল। এরমধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার টন চাল এবং ১ লাখ ৬৭ হাজার টন গম।

x

Check Also

এক বছরে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ৩ বিলিয়ন ডলার, রফতানি হ্রাস ৭ বিলিয়ন; বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে ঘাটতি ৫ বিলিয়ন

বিশেষ প্রতিনিধি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎস—পণ্য রফতানি ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স)—গত এক ...