এমএনএ খেলাধুলা ডেস্ক : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে বিরাট কোহলির ভারতকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন বাবর আজমের পাকিস্তান। বিশ্বকাপের আসরে এই প্রথম ভারতকে হারিয়েছে তারা।মাঠের লড়াইয়ে আবেগ রয়েছে। তর্ক-বিতর্ক রয়েছে। তবে ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য শেখ রশিদ আহমেদের করা এক মন্তব্যে এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।
গত রোববার (২৪ অক্টোবর) দুবাইয়ে ইতিহাস লিখেছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে তারা। ভারতের ১৫১ রান তাড়া করতে নেমে ১৩ বল বাকি থাকতেই প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পাকিস্তান। দুই পাক ওপেনারই ম্যাচ জিতিয়ে দেন। ক্যাপ্টেন বাবর আজম ও মোহম্মদ রিজওয়ান অপরাজিত থেকে ইতিহাস লেখেন মরুর বুকে।
পাকিস্তানের এই জয় নিয়ে শেখ রশিদ আহমেদ বলেন, পাকিস্তানের জয় আসলে ‘ইসলামের বিজয়’। তার এই মন্তব্য নিয়ে এরইমধ্যে ঝড় উঠেছে। কড়া সমালোচনা করেছেন অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী।প্রতিবারই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে থেকেই দুই দেশের সাবেক খেলোয়াড়রা কথার লড়াইয়ে নামেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পাকিস্তান ভারতকে হারানোর পর সাবেক পাক পেসার আমির সোশ্যাল মিডিয়ায় বাউন্সার দিলেন হরভজন সিংকে। সোমবার (২৫ অক্টোবর) আমির ট্যুইটারে হরভজনকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘সবাইকে হ্যালো। একটা জিনিস জানবার ছিল, হরভজন সিং জি টিভি ভাঙেননি তো! দিনের শেষে এটা ক্রিকেট।‘
পাকিস্তানের জয়ে ভারতেও উল্লাস হয়েছে। ফাটানো হয়েছে আতসবাজি। আর তাতে চটেছেন গম্ভীর। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর বলেছেন, ‘যারা পাকিস্তানের জয়ে বাজি ফাটাচ্ছে তারা কেউ ভারতীয় নয়। ছেলেদের পাশে আছি আমরা!’এ নিয়ে চুপ থাকননি ভারতের আরেক তারকা খেলোয়াড় শেবাগ। তিনি টুইট করে বলেন, ‘দীপাবলিতে আতশবাজি ফাটে। কিন্তু ভারতের নানা জায়গায় পাকিস্তানের জয়ের উদযাপনে বাজি পোড়ানো হয়েছে। আচ্ছা ওরা ক্রিকেটের জয় উদযাপিত করছিল। তাহলে দীপাবলিতে আতশবাজি পোড়ানোয় কি ক্ষতি? দ্বিচারিতা কেন, সব জ্ঞান দীপাবলিতেই মনে পড়ে।‘
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
