এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ওপেকভুক্ত দেশগুলো তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের পরই তেলের মূল্য এমন হঠাৎ করে বেড়ে গেলো।
যদিও গত গত সপ্তাহে তেলের দাম ছিল নিম্নমুখী। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি মন্ত্রী বলেছেন যে ওপেকের সদস্য দেশগুলেো তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয়ার ব্যাপারে একমত।
অন্যদিকে ভেনেজেুয়েলার তেল মন্ত্রী বলেছেন তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এ সংক্রান্ত চুক্তি সমর্থনের পথেই রয়েছেন।
যদিও ব্যবসায়ীরা বলছেন গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেভাবে পড়ে গিয়েছিল তার পর তেলের বাজার সামান্য ঘুরে যাবার ফলে অনেক বিনিয়োগকারীদের হয়তো দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে।
গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দাম গত বারো বছরে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমে যায়, পরে তা একটু বাড়লেও দাম নীচের দিকেই থাকে।
গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেল বিক্রি হয় ২৯ ডলার ৪৪ সেন্টে, যা আগের দিনের দরের চেয়ে ৩ ডলার ২৩ সেন্ট বা ১২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
এছাড়া ইউরোপের বাজারে এদিন ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেল আগের দিনের চেয়ে ৩ ডলার ৩০ সেন্ট বা ১১ শতাংশ বেড়ে বিক্রি হয় ৩৩ ডলার ৩৬ সেন্টে।
এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দাম প্রায় ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে। ওইদিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেল বিক্রি হয় ২৬ ডলার ৩২ সেন্টে। পরে তা একটু বাড়লেও দাম ২৭ ডলারের নিচেই থাকে।
কমার্স ব্যাংকের বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের তেলের উৎপাদন কমায়, তাহলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে। আর তেলের দাম যেভাবে পড়েছিল তাতে এটি খুব তাড়াতাড়ি আবার বাড়বে বলে সবাই ধারণা করছিল। যদিও তেলের উৎপাদন কমানোর বিষয়ে রাশিয়ার মতো বড় দেশগুলো এখনো কোন ঘোষণা না দেয়ায়, ওয়াল স্ট্রিটের এই প্রতিবেদন নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিবিসি।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক



