বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচকে বাংলাদেশের ৪ ধাপ উন্নতি
Posted by: News Desk
January 12, 2019
এমএনএ রিপোর্ট : বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে (জিটিআই) দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা গতবারের চেয়ে খারাপ হলেও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) ডিসেম্বরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, সন্ত্রাসবাদ সূচকে ৫ দশমিক ৬৯৭ স্কোর নিয়ে চার ধাপ এগিয়ে ১৬৩ দেশের মধ্যে ২৫তম স্থারে রয়েছে বাংলাদেশ।
১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আছে ২৫তম অবস্থানে। গত বছর তালিকায় ২১তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ, স্কোর হয়েছিল ৫ দশমিক ৬৯৭।
‘গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স-২০১৮’-এ ৯ দশমিক ৭৪৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় এক নম্বরে আছে ইরাক, অর্থাৎ বিশ্বে সবচেয়ে সন্ত্রাসপ্রবণ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি।
বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার উন্নতি হয়েছে। অপরদিকে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারতের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
বাংলাদেশ উন্নতি করলেও এ সূচকে ১৩ ধাপ পিছিয়েছে মিয়ানমার। দেশটি ৫ দশমিক ৯১৬ পয়েন্ট পেয়ে গত বছরের তুলনায় ১৩ ধাপ পিছিয়ে তালিকায় ২৪তম অবস্থানে রয়েছে।
তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তান ও পাকিস্তান আগের বছরের অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ সন্ত্রাসপ্রবণ দেশ আফগানিস্তান, আর পাকিস্তানের অবস্থান পঞ্চম। ভারতের অবস্থান এক ধাপ অবনতি হয়েছে, তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে দেশটি।
তালিকায় খারাপের দিকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিয়ানমারও। ১২ ধাপ অবনতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ২০তম। তাদের চার ধাপ পেছনে থাকা বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারের (২৪তম স্থানে) অবনতি ঘটেছে ১৩ ধাপ। অন্যদিকে সন্ত্রাসপ্রবণ দেশের তালিকায় শূন্য পয়েন্ট নিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, কিউবাসহ ২৬টি দেশ।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ের বড় সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান ক্যাফেতে জঙ্গি হামলায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশে সহিংস চরমপন্থা দমনের পদক্ষেপগুলোর কথা বলা হয়েছে।
এখন সাইবার নিরাপত্তার ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এখন এদিকে নজর দিয়েছে।
এক্ষেত্রে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফটে ঢুকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশের সূচকে সন্ত্রাস উন্নতি বৈশ্বিক ৪ ধাপ 2019-01-12