Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস দিলেন কাদের

মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস দিলেন কাদের

এমএনএ রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভায় রদবদল করতে পারেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় ‘মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়তো হবে। কারণ অনেক দিন হয়ে গেছে। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তবে আকাশে যখন চাঁদ উঠবে, তখন সকলে দেখতে পাবেন।’

এসময় জাতীয় পার্টির নতুন জোটকে চমক হিসেবে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ভাঙাগড়া হবে। জোট ভাঙবে। জোট গড়বে। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই। জাতীয় পার্টির এই চমকের রেশ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সেটার জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকেই জাতীয় পার্টি মহাজোটে নেই। তারা ঐকমত্যের সরকারে আছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ও সংসদের বিরোধীদল জাতীয় পার্টি নতুন জোট গঠনের পর মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে গেলে নতুন মুখ দেখা যাবে কিনা—সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, কিংবা থাকবেন না, সেটা একান্তভাবেই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। এ ব্যাপারে তিনিসহ অন্য কারোর জানা নেই। তাছাড়া মন্ত্রিসভার রদবদল তো হয়ই। তাই রদবদল হলে হতেই পারে।

জাতীয় পার্টির মন্ত্রিসভা ছাড়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা সরকারে থাকবে কিনা সেটি তাদের ব্যাপার। তবে মনে হয় না তারা তাড়াতাড়ি সরকার থেকে সরে দাঁড়াবে। তবে জাতীয় পার্টি নতুন জোট করলেও সরকারের সঙ্গেই থাকবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। তখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়।

এখন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৩১ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। ওই মন্ত্রিসভায় এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি থেকে পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করা হয়। ওই দিন নুরুল ইসলাম বিএসসিকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আসাদুজ্জামান খাঁনকে স্বরাষ্ট্র ও স্থপতি ইয়াফেস ওসমানকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুজনেই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। একই দিন অ্যাডভোকেট তারানা হালিমকে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী এবং নূরুজ্জামান আহমেদকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়। পরে গত বছরের ১৯ জুন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

x

Check Also

টানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না, সতর্ক করল বিআরটিএ

এমএনএ প্রতিবেদক একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহণ চালানোর ফলে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, ...