Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / রুনা লায়লার ৬৭ তম শুভ জন্মদিন আজ

রুনা লায়লার ৬৭ তম শুভ জন্মদিন আজ

এমএনএ বিনোদন ডেস্কআজ শনিবার (১৭ নভেম্বর) ৬৭ তম শুভ জন্মদিন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লার। সঙ্গীত জীবনে ১৮টি ভাষায় গান করেছেন তিনি। বাংলাদেশের মতো পাকিস্তান এবং  ভারতেও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এককথায় উপমহাদেশের হাতেগোনা কয়েকজন প্রথিতযশা সঙ্গীতশিল্পীর মধ্যে রুনা লায়লা অন্যতম।

রুনা লায়লা ১৯৫২ সালের এইদিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী।

তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশের বাইরে গজলশিল্পী হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশে তার সুনাম আছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের গায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেন।

রুনা লায়লা বরাবরই পারিবারিক আবহে সাদামাটাভাবে জন্মদিন পালন করেন। গত বছর পারিবারিকভাবেই নিজ বাসভবনে জন্মদিনের কেক কাটেন তিনি।

তবে এবারের জন্মদিনে দেশে নেই রুনা লায়লা। কলকাতায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই কেটে যাবে তার জন্মদিন।

পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য গতকাল শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কলকাতার উদ্দেশে পাড়ি দেন তিনি। সেখানে দু’দিন থেকে আগামী ১৯ নভেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

ঢাকায় একদিন অবস্থান করে আগামী ২১শে নভেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। ৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান শেষে ৮ই ডিসেম্বর ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন রুনা লায়লা।

জন্মদিন প্রসঙ্গে এ শিল্পী বলেন, ‘এবারের জন্মদিনে চাইলেও আর ঢাকায় থাকতে পারিনি। একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কলকাতায় আসতে হয়েছে। তবে জন্মদিনে আমি আমার মুরব্বিদের কাছ থেকে আশীর্বাদ কামনা করছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি সুস্থ থাকি, ভালো থাকি। আরো ভালো ভালো কিছু গান যেন গাইতে পারি।’

১৯৭৪ সালের শুরুতে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ ছবিতে গান গাওয়ার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি। গানের কথা ছিল ‘ও জীবন সাথী তুমি আমার’। এ গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। তবে পাকিস্তানের ‘যুগ্নু’ ছবিতে ছোটবেলায় রুনা লায়লা প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য ছবিতে তিনি প্লেব্যাক করেছেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতীয় এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের অনেক গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, ফার্সি, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্পেনিশ, ফরাসি, লাতিন ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন। পাকিস্তানে তার গান ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ অত্যন্ত জনপ্রিয়।

সঙ্গীতে আকাশছোঁয়া সাফল্য অর্জন করা শিল্পী রুনা লায়লা নাচেও বেশ পারদর্শী। চার বছর বুলবুল একাডেমি করাচিতে ভরতনাট্যম, কত্থক, কত্থকলি শিখেছিলেন এ তারকা। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন ‘শিল্পী’ নামক চলচ্চিত্রেও। গুণী এই সঙ্গীতশিল্পী নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়ে কুড়িয়েছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা।

এসবের মধ্যে রয়েছে দেশ থেকে চারবার জাতীয় চলিচ্চত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননাসহ দেশ-বিদেশের বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সঙ্গীত পরিষদ স্বর্ণপদক।

নব্বইয়ের দশকে গিনেস বুকে স্থান পাওয়া এই বাংলাদেশি সঙ্গীত শিল্পীকে মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ) পক্ষে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

x

Check Also

সক্ষমতা

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় ...