Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / শীতে কাঁপছে দেশ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে।

শীতে কাঁপছে দেশ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে।

এমএনএ সংবাদ ডেস্ক :  মৌলভীবাজারে সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্থ হয়ে উঠেছে জনজীবন।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান।

আবহাওয়া অফিস বলছে, এটি তীব্র শৈত্য প্রবাহ। আরও অন্তত সপ্তাহখানেক অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়ার তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে ১০ জানুয়ারি ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি, ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে রেকর্ড করা হয়।

এদিকে কনকনে ঠান্ডা বাতাস গত কয়দিন ধরে পাহাড়ি ওই জনপদকে আরও হিমশীতল করে তুলেছে। ভোরে কুয়াশা মোড়ানো দিনে বেলা বাড়ার সাথে সাথেই রোদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে। তবে এতে কোন স্বস্তি বা শান্তি নেই। দুপুর গড়ালে ঠান্ডা হাওয়া হাত-পা একদম অবশ করে তুলছে। এই শীতে চা-বাগান অধ্যুষিত এ জেলায় চা-শ্রমিকদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শীতে জবুথবু হয়ে পড়া রাজনগর করিমপুর চা-বাগানের একদল চা-শ্রমিক খড়খুটো জড়ো করে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। গরম কাপড়ের অভাবে শীত নিবারণ তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়ছে।

কথা হয় করিমপুর চা-বাগানের চা-শ্রমিক সুপনি, দুলি, শ্রীলংকী ও বিনতি মুন্ডাসহ একাধিক শ্রমিকের সঙ্গে। তারা জানান, মাটির ঘরে প্রচন্ড ঠান্ডা। তাই খড়কুটো যত সময় হাতের কাছে থাকে এতেই তারা আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। একই অবস্থা হাওর পাড়ের মানুষেরও।

অপরদিকে, জেলা ত্রাণ অফিসের দেয়া তথ্যমতে এ পর্যন্ত জেলায় ৪৪ হাজার কম্বল শীতার্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

x

Check Also

বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে যখন কাজ শুরু করেছি, তখন নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বগুড়া প্রতিনিধি বগুড়া জেলা গত ২০ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। এখন এই বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে ...