এমএনএ প্রতিবেদক
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত আহ্বানের দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগামীকাল রোববারের মধ্যে সরকার অধিবেশন না ডাকলে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জোটটি। একই সঙ্গে আগামী ২৮ মার্চ বৈঠক করে আন্দোলনের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
শনিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামীকাল অধিবেশন আহ্বান না করে, তাহলে জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে রাজপথে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। “আমরা আশা করি সরকার গণভোটের ফলাফলকে সম্মান করবে। অন্যথায় আমাদের আন্দোলনে যেতে বাধ্য হতে হবে,” বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, একই দিনে দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সরকার নিয়ম অনুযায়ী দুটি সাধারণ অধিবেশন ডাকেনি। তিনি দাবি করেন, একটি অধিবেশন আহ্বান করা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক রাজনৈতিক দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেননি।
তিনি আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা এবং গণভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও এখন তা বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছে। “এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল,” মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় সরকার প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন জোটের নেতারা। তারা বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল চলছে। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য একটি নতুন ধরনের “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং”-এর অংশ হতে পারে।
১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আগামী ২৮ মার্চের বৈঠকে আন্দোলনের বিস্তারিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। ততদিনের মধ্যে সরকার অধিবেশন ডেকে সংকটের সমাধান করবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক
