Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / ই-জিপিতে ‘ফ্যাসিস্টের লোকজন’ ঠেকাতে আইন পর্যালোচনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ই-জিপিতে ‘ফ্যাসিস্টের লোকজন’ ঠেকাতে আইন পর্যালোচনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক

ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থায় ‘ফ্যাসিস্টের লোকজন’ যাতে অংশ নিতে না পারে, সে বিষয়ে আইন পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনায় বিএনপির সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদাররা ই-জিপি ব্যবস্থায় শক্তিশালী প্রোফাইলের কারণে সহজেই কাজ পেয়ে যাচ্ছেন।

আশরাফ উদ্দিন বলেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে এসব কাজ পেয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও প্রোফাইল শক্ত হওয়ায় নতুন বা অন্য ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন। অনেক সময় কাজ পাওয়ার পর কয়েক ধাপে তা বিক্রি হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের হাতে যাচ্ছে। এতে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে এবং প্রকল্পের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি জানতে চান, এ ধরনের ব্যক্তিদের ই-জিপি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ ঠেকাতে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকার অবগত আছে এবং এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ই-জিপি ব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে যোগ্য ব্যক্তিরাই কাজের সুযোগ পান।

এর আগে আশরাফ উদ্দিন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে স্থানীয় ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে এক জেলা বা বিভাগের কাজ অন্য এলাকার ঠিকাদারদের দেওয়া হয়, ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম এলজিইডির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব কাজের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা রয়েছে।

দখলমুক্ত করতে হবে খেলার মাঠ ও পার্ক: সংসদ সদস্য

এদিকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী।

সংসদে দেওয়া নোটিশে তিনি বলেন, একসময় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও মানুষের বিনোদনের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত মাঠ ও পার্কগুলো এখন অনেক ক্ষেত্রে দখল, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, মাদক ব্যবসা ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের জন্য অনিরাপদ হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকার অনেক খেলার মাঠ কাগজে থাকলেও বাস্তবে দখলে চলে গেছে। এসব জায়গায় বিভিন্ন স্থাপনা, ক্লাব, মার্কেট ও হাটবাজার গড়ে উঠেছে।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময়ে অনেক মাঠ ও খালি জায়গা দখল করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেগুলো উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মালিকানাধীন দেশে মোট ২৫৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ রয়েছে। এসব জায়গা পর্যায়ক্রমে সংস্কার করে জনগণের ব্যবহারের উপযোগী করার কাজ চলছে।

x

Check Also

বিএসএফের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি সন্দেহে মানুষকে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ কর্মসূচি এপিডিআরের

এমএনএ প্রতিবেদক ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ...