Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারেই বুড়িগঙ্গা রেল ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণ: রেলমন্ত্রী

প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারেই বুড়িগঙ্গা রেল ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণ: রেলমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচের অস্থায়ীভাবে ভরাট করা মাটি পূর্বের প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অপসারণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেন, এ কাজের ফলে ভায়াডাক্ট বা সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে না।

বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা রেলসেতু সংলগ্ন ভায়াডাক্ট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে যে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ভায়াডাক্টের নিচের মাটি বিক্রি করে দিচ্ছে, যার ফলে সেতুর পিলার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তিনি এ ধরনের প্রচারকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, এখানে কোনো মাটি বিক্রি করা হচ্ছে না এবং ভায়াডাক্টের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়নি।

মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুর আগে এলাকাটি একটি স্থায়ী জলাশয় ছিল, যা ২০১৫ সালের স্যাটেলাইট চিত্র ও ওয়েটল্যান্ড জরিপে প্রতীয়মান হয়েছে। নির্মাণকাজের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে জলাশয়টি ভরাট করা হয়েছিল। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগের প্রাকৃতিক অবস্থা পুনর্বহালের লক্ষ্যে ওই মাটি অপসারণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্মিত সব অস্থায়ী অবকাঠামো অপসারণের দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এ জন্য প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ রয়েছে। মাটি অপসারণ না করলেও অন্যান্য অস্থায়ী কাঠামো অপসারণের বিল ঠিকাদারকে পরিশোধ করতে হবে, যা প্রকল্প ব্যয়ে কোনো সাশ্রয় আনবে না।

ভায়াডাক্টের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, নির্ধারিত চেইনেজ অনুযায়ী গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। এ পর্যায়ের পরও পাইল ক্যাপ ভূমিস্তর থেকে প্রায় আট ফুট নিচে অবস্থান করবে। ছয় ফুট পুরু ওই পাইল ক্যাপের নিচে প্রায় ২০০ ফুট গভীরে প্রোথিত আটটি পাইল ভায়াডাক্টের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। ফলে মাটি অপসারণে কাঠামোর কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।

তিনি এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে গণমাধ্যমকে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন।

পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

x

Check Also

হজের প্রাক-নিবন্ধনে এনআইডি, ছবি, মোবাইল ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধনের ক্ষেত্রে হজযাত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু তথ্য ও কাগজপত্র বাধ্যতামূলকভাবে জমা ...