এমএনএ প্রতিবেদক
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়টি সরকার আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নয়াপল্টন কার্যালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাংবাদিকেরা জানতে চান, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী। উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে, সেভাবেই বিষয়টি সব জায়গায় দেখা হবে।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর এই প্রথম বিএনপির কোনো মন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ নেতা নয়াপল্টন কার্যালয়ে যান। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীরা মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নয়াপল্টনের এ কার্যালয় থেকেই অতীতে বিএনপির সবচেয়ে বেশি আন্দোলন ও কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনি উল্লেখ করেন, এ কার্যালয় থেকে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো জনগণকে আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছিল।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্ধারিত সময় ও সরকারি বিধি-বিধান মেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, “সরকারি কিছু নিয়মকানুন ও প্রথা রয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ কতদিন, কোথায় মেয়াদ শেষ হয়েছে—এসব বিষয় পর্যালোচনা করে সরকার যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করবে। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।”
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্তদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে এবং রাজনীতি ও দলের সঙ্গে সক্রিয় সম্পর্ক থাকতে হবে। দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেত্রীদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

