মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ) : পয়ত্রিশতম বিসিএসের দ্বিতীয় দফায় মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
আগামী ৬ থেকে ২১ মার্চ সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি প্রথম দফার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়, যা ৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
আজ বুধবার কমিশনের ওয়েবসাইটে এই সূচি প্রকাশ করে বলা হয়, শেরেবাংলা নগরে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে।

সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ভবন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২০ ও ২১ মার্চ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সঙ্গে প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে।
গত ১৩ জানুয়ারি ৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ছয় হাজার ৮৮ জন উত্তীর্ণ হন।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়, শেষ হয় ৭ সেপ্টেম্বর। আর পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা হয় ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয় গত বছরের ৬ মার্চ।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩৫তম বিসিএস থেকেই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ২০০ নম্বর ও সময় এক ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা করা হয়। প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয় ওই বছরের ৮ এপ্রিল। এতে উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ৩৯১ জন। এর মধ্যে ৪১৯ জনের প্রার্থিতা বিভিন্ন কারণে বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কমিশন।
সরকারি চাকরি পেতে ৩৫তম বিসিএসে দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এটাই বিসিএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী। ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি।

গত ১৩ জানুয়ারি ৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যাতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৮৮ জন চাকরিপ্রত্যাশী।
পিএসসি বলছে, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য কমিশন থেকে ডাকযোগে প্রার্থীদের কোনো সাক্ষাৎকারপত্র পাঠানো হচ্ছে না।
কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্বাক্ষরিত সাক্ষাৎকারপত্র ডাউনলোড করে তা যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত দিনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের বিপিএসসি ফরম-২ এর সঙ্গে দাখিল করা মুক্তিযোদ্ধা সনদের দুটি সত্যায়িত কপি, মুক্তিযোদ্ধা সনদধারীর জন্ম তারিখ সম্বলিত এসএসসি/সমমানের সনদ, এসএসসি পাস না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সনদ বা জন্ম তারিখ সম্বলিত প্রামাণিক দলিল, মুক্তিবার্তা/গেজেটের সত্যায়িত দুই কপিসহ এসব কাগজের দুই সেট মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে দাখিল করতে হবে।
৩৪তম বিসিএসে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে কোটার বিপরীতে ৬৭২টি শূন্যপদেও ৩৫তম বিসিএস থেকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে মন্ত্রিসভায়।
কোটার বিপরীতে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে যোগ্য লোক না পাওয়া গেলে এ বিসিএসেও কোটা শিথিল থাকবে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

