Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / বোয়িংয়ে চড়ে কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বোয়িংয়ে চড়ে কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এমএনএ রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার বোয়িংয়ে চড়ে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার গেলেন। ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছায় বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজ ‘মেঘদূত’।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্যে কক্সবাজারে এসে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিমানটি আজ শনিবার সকালে দেশের প্রধান পর্যটন নগরীতে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরণের মধ্যেদিয়েই কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে সম্প্রসারিত ৭৩৭-৮০০ বোয়িং এয়ারক্রাফট মুভমেন্টের জন্য রানওয়ের উদ্বোধন এবং এটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

এরপর সাগর ঘেঁষে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন করে পর্যটন শহর কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইনানী সৈকতে এক অনুষ্ঠানে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধনের পর সৈকতে কিছু সময় হাঁটাহাঁটিও করেন সরকার প্রধান। সাগরের পানিতেও নামেন তিনি।

মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, এত সুন্দর সমুদ্র সৈকত, কিন্তু কক্সবাজার সবসময় অবহেলিত ছিল। এটাকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে গড়ে তোলা আমাদের কর্তব্য বলে মনে করছি।

কক্সবাজারকে পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলা হলে এখানকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সমুদ্র সম্পদকে অর্থনৈতিক কাজে লাগানোর উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য যা যা করার দরকার, তা আমরা করব।

বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কক্সবাজারে প্রথম বেড়াতে আসার স্মৃতি তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে কক্সবাজারের উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপের কথাও বলেন তিনি।

পযটক আকর্ষণের জন্য নির্মিত ৮০ কিলোমিটার এ সড়কের একপাশে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, অন্যপাশে পাহাড়ের সারি।

হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে তিন ধাপে এই নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই নির্মাণ কাজ পরিচালনা করে।

নির্দিষ্ট সময়ের আগে কাজ শেষ হওয়ায় সেনাবাহিনী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এই নির্মাণ কাজের সময় ভূমি ধসে ছয় সেনা সদস্যের মৃত্যুর কথাও স্মরণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ করেছে।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেরিন ড্রাইভ ওয়েসহ ১৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর করবেন সেগুলো হলো : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, কক্সবাজার গভর্নমেন্ট ওমেন্স কলেজের ১শ’ আসনের ডরমেটরি, কক্সবাজার গভর্নমেন্ট কলেজের একাডেমিক ভবন-কাম-পরীক্ষা হল, বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিব কলেজের দুইতলা একাডেমিক ভবন এবং উখিয়া ও মহেশখালি-আনোয়ারা গ্যাস সরবরাহ লাইন।

প্রধানমন্ত্রী, কক্সবাজার এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (প্রথম ধাপ), কক্সবাজার সদর উপজেলার বাকখালি নদীর ওপর খুরুস্কুল ঘাটে ৫৯৫ মিটার পিসি বক্স-গার্ডার সেতু, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল, মহেশখালিতে সিঙ্গেল পয়েন্ট মরিং স্থাপন, নাফ ট্যুরিজম পার্ক, কুতুবদিয়া কলেজের একাডেমিক ভবন এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

সবশেষে বিকেলে শেখ হাসিনা শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।

x

Check Also

প্রশাসনে একাধিক রদবদল, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, মহিলা অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

এমএনএ প্রতিবেদক সরকার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দপ্তরে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং পদায়নের মাধ্যমে একাধিক রদবদল এনেছে। ...