Don't Miss
Home / ব্যবসা ও বাণিজ্য / শিল্পে কর্মরত ৯১ শতাংশেরই কোনো প্রশিক্ষণ নেই
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে দক্ষ

শিল্পে কর্মরত ৯১ শতাংশেরই কোনো প্রশিক্ষণ নেই

এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্ক : বিভিন্ন শিল্পে কর্মরতদের ৯১ শতাংশ কর্মীর কো‌নো ধর‌নের প্রশিক্ষণ নেই। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়বে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৫০ সাল নাগাদ ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষের খাতভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে। এ অবস্থায় কারিগরি শিক্ষায় কানাডার সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত কানাডা-বাংলাদেশ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ অন স্ট্রেংদেনিং কমার্শিয়াল রিলেশনসের ভার্চুয়াল সভায় কারিগরি শিক্ষাখাতে কানাডার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ব্যবসায়ীরা।সভায় জানা‌নো হয়, কোভিড মহামারি পরবর্তী শ্রম বাজারের পরিবর্তন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে বিশ্ববাজারের চাকরির বাজারে নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে। তাই এ খাতে কানাডার সহযোগিতা পেলে পরিবর্তিত পরিস্থিতি খাপ খাইয়ে নেওয়া বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে।

বৈঠকে তথ্য প্রযুক্তি ও শিক্ষা বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবির।প্রতিবেদন বলা হয়, এটুআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৫০ শতাংশ চাকরির প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে।

বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন শিল্পে কর্মরতদের ৯১ দশমিক ৪০ শতাংশেরই কোনো প্রশিক্ষণ নেই। দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা মেটাতে ২০২৫ সাল নাগাদ ৭০ লাখ, ২০৩০ সালের মধ্যে ৯০ লাখ, এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষের খাতভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে সাইবার সিকিউরিটি, সেন্সরস অ্যান্ড মেশিন ইন্টিলিজেন্স অ্যালগরিদম, বিগ ডাটা অ্যান্ড অ্যানালিটিকস, ব্লক চেইন-ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার টেকনোলজি, সিমুলেশন, ভিজ্যুয়ালাইজেশন অ্যান্ড ডিজিটাল টুইন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, ক্লাউড এজ কম্পিউটিং, হিউম্যান-মেশিন কো-অপারেশন, ভার্চুয়াল অগমেন্টেড রিয়েলিটি, অটোনোমাস রোবটস, নিউরাল নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড মেশিন লার্নিং, থ্রি-ডি প্রিন্টিং বিষয়ে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়বে।

এসব খাতে কানাডার কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে ক্যাম্পাস স্থাপন করে অথবা দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করলে তা দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে বলে মনে করেন সৈয়দ আলমাস কবির।বৈঠকে এফবিসিসিআই’র পরিচালক ও এমসিসিআই ঢাকার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ ও কানাডিয়ান ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম হাতে নেয়ার সুপারিশ করেন।বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতির প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে কানাডার কোন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ করিয়ে দেয়ার আহ্বান জানান বিপিজিএমইএর সভাপতি শামীম আহমেদ।

কানাডার দুটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এনএআইটি ও এসএআইটির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানান জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কানাডিয়ান কো-চেয়ার নুজহাত তাম-জামান।এ সময় ওয়ার্কিং গ্রুপে বিজনেস কাউন্সিল অব কানাডা এবং ম্যানিটোবা চেম্বার অব কমার্সের কোনো প্রতিনিধিকে ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য করার আহ্বান জানান কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিল রহমান।

বৈঠকে আরও যুক্ত ছিলেন কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-ক্যানচ্যাম বাংলাদেশের সভাপতি মাসুদ রহমান, ভ্রমণ ম্যাগাজিন এর সম্পাদক ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডজাক্ট ফ্যাকাল্টি আবু সুফিয়ান ও এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার অ্যাঞ্জেলা ডার্ক।

x

Check Also

জুনে সারা দেশে ৪৭২ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি সর্বোচ্চ

এমএনএ প্রতিবেদক গত জুন মাসে সারা দেশে ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ৫৬১ ...